আনচেলোত্তির ব্রাজিলে অপরিহার্য হয়ে উঠছেন ব্রুনো গিমারেস 

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৪৯ পিএম

ব্রাজিল জাতীয় দলের মধ্যমাঠে এখন যেন এক অপরিহার্য নাম ব্রুনো গিমারেস। ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি অধীনে দল যখন ধীরে ধীরে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেখানে নিউক্যাসল মিডফিল্ডার হয়ে উঠেছেন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়। আনচেলোত্তির অধীনে খেলা সবগুলো পাঁচ ম্যাচেই তিনি মাঠে ছিলেন—একমাত্র তিনিই এমন ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন।

গিমারেস বলেন, 'এটা জাতীয় দলে আমার সেরা সময়গুলোর একটি। এই চক্রে অনেক কিছু ঘটেছে, অনেক অস্থিরতা ছিল, কিন্তু আমরা দল হিসেবে বেড়ে উঠেছি এবং এখন অনেক শক্তিশালী। কোচ যেভাবেই ফর্মেশন দেন, আমরা মানিয়ে নিচ্ছি। আমি চাই ক্লাবে ভালো পারফর্ম করে কোচের বিশ্বাস ধরে রাখতে এবং জাতীয় দলে নিয়মিত থাকতে।'

কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে ব্রাজিলের হয়ে হওয়া ৩০ ম্যাচের মধ্যে ২৫টিতে গিমারেস ছিলেন প্রথম একাদশে, মাত্র দুটি ম্যাচ মিস করেছেন, যার একটি আবার নিষেধাজ্ঞার কারণে।

আনচেলোত্তি 'আমার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়েছেন', টোকিওতে সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন গিমারেস, 'কোচ আমার মধ্যে প্রচুর আত্মবিশ্বাস ঢেলে দিয়েছেন। এখন আমি জাতীয় দলে আমার সেরা সময় কাটাচ্ছি। জাপানে ফিরে আসা আমার জন্য দারুণ, কারণ এখানেই আমি অলিম্পিক সোনা জিতেছিলাম। আমরা জাপানের খেলা বিশ্লেষণ করেছি, তবে মূল বিষয় হলো আমরা কীভাবে খেলব। এখনো দল নির্ধারিত হয়নি, কিন্তু যেই মাঠে নামবে, ভালো ফুটবলই খেলবে।'

আনচেলত্তি আত্মবিশ্বাব যুগিয়েছেন গিমারেসকে
গিমারেস বিশ্বকাপের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বলেন, 'গ্রুপ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, এটা স্বাভাবিক। কোচ বিভিন্ন খেলোয়াড়কে পরীক্ষা করতে চান। বিশ্বকাপ শুধু প্রথম একাদশের নয়, বরং বেঞ্চ থেকে কারা সাহায্য করতে পারবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কোচ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা দারুণ ছন্দে আছি, এবং আমরা চাই এই ধারা বজায় রাখতে।'

জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার আনন্দ, ''ফ্লাইটে ফিরছিলাম, দুইটা জানালা ভেঙে যায়, বিমানে ফিরে যেতে হয়—প্রায় ৪০ ঘণ্টার যাত্রা। তবু কোচ জিজ্ঞেস করলেন- তুমি ঠিক আছ? আমি বলেছিলাম- 'অবশ্যই! আমি মাঠে থাকতে চাই, ব্রাজিলের হয়ে খেলতে চাই।' আমার ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপনের কথা মনে পড়ে। যতদিন শরীরে শক্তি থাকবে, আমি এই জার্সি গায়ে দিতে চাই। এটি এক বিশাল গর্বের ব্যাপার।'

Kasemero and Guimares

কাসেমিরোর সঙ্গে বোঝাপড়া, 'কাসেমিরোর সঙ্গে খেলা যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য সহজ। ও পাশে থাকলে আমি ক্লাবের মতোই খেলার স্বাধীনতা পাই। আমি মূলত ‘নাম্বার এইট’, তবে ‘নাম্বার ফাইভ’-এর ভূমিকাও নিতে পারি। কোচের দেওয়া আত্মবিশ্বাস আমাকে অনেক সাহায্য করেছে, আর কাসেমিরোর মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড় পাশে থাকলে তা আরও সহজ হয়ে যায়।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত