ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টস হেরে আগে ফিল্ডিং করে বাংলাদেশ। শেষ দুই ওভারে ৩৬ রান নিয়ে উইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ৩ উইকেটে ১৬৫ রান। হোপ ২৮ বলে ৪৬ ও পাওয়েল ২৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের দুজনের ইনিংসেই ছিল ৪টি করে ছক্কা ও ১ চার।
ক্যারিবিয়ানরা শুরুটা ভালো করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তারা তোলে বিনা উইকেটে ৩৫ রান। বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস পাওয়ার প্লেতে ব্যবহান করেন ৪ জন বোলার। তবে পাওয়ার প্লে শেষে মারমুখি হওয়ার চেষ্টা করেন দুই ওপেনার আথানেজ ও ব্রান্ডন কিং। দলীয় ৫৯ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। আথানেজকে (৩৪) ফেরান ওয়ানডে সিরিজেসেরা হওয়া রিশাদ হোসেন।
ইনিংসের ১৩তম ওভারের প্রথম বলে ব্যান্ডন কিংকে (৩৩) আউট করেন তাসকিন আহমেদ। কিংকে টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে টানা চতুর্থবার আউট করলেন তাসকিন। পরের বলেই তাসকিন আউট করেন রাদারফোর্ডকে।
১৩ ওভার শেষে উইন্ডিজের রান ছিল ৮৪। চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়েন অধিনায়ক শাই হোপ ও রভমন পাওয়েল। বাংলাদেশের বোলারদের ওপর হোপ চড়াও হতে শুরু করেন, পাওয়েল খেলেন ধীরেসুস্থে।
তবে ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার কাজটা করেন পাওয়েলও। তানজিম হাসান সাকিবের করা শেষ ওভারে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকান ১০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা পাওয়েল। ইনিংসের শেষ ওভারে উইন্ডিজ নেয় ২২ রান। শেষ দুই ওভারে তারা করে ৩৬ রান।
শেষ ৫ ওভারে ক্যাবিয়ানরা তোলে ৬৪ রান। চতুর্থ উইকেটে হোপ-পাওয়েল অবিচ্ছেদ্য জুটিতে ওঠে ৮৩ রান। নাসুম ৪ ওভারে দেন ১৫ রান।
হাই-লাইন ডিফেন্সে ঋতুদের সর্বনাশ
'রিয়াল মাদ্রিদ চুরি করে আর অভিযোগ তোলে' বলার শিক্ষা পেলেন ইয়ামাল 