ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সুমন রাফি নামের এক বৃক্ষপ্রেমী। তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পর্যন্ত ১৫ হাজারের অধিক গাছের চারা রোপণ করেছেন।
হেদায়েতুর রাফি ওরফে সুমন রাফি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর করার পর মার্কেটিংয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন। বাবা শওকত হোসেন মিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জর্জ একাডেমির গণিত শিক্ষক ছিলেন। ভাই হায়াতুর রাফি নয়ন ঢাকায় জুয়েলারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নিজেও ওই ব্যবসার অংশীদার। বৃক্ষরোপণের মতো বিভিন্ন সমাজসেবামূলক ব্যতিক্রমী অলাভজনক কাজে নিয়োজিত থাকায় তিনি এখনও বিয়ে করেনি। এছাড়া তিনি অসুস্থ রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করা, দরিদ্রদের ওষুধ ও শীতার্তদের শীতবস্ত্র কিনে দেওয়ার মতো মানবিক ও সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেন। তবে একাজের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, শুধুমাত্র মানবসেবাই কার একমাত্র লক্ষ্য।
বৃক্ষপ্রেমী সুমন রাফি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে গাছের চারা রোপণ করি। ২০০৫ সাল থেকে গাছ রোপণ শুনু করেছি। গাছ আবহাওয়া ও জলবায়ু শীতল রাখে, মটির ক্ষয়রোধ করে, বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। তাই গাছের চারা রোপণের মতো কার্যক্রমে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি খাসজমি, স্থানীয় মাইজকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রেললাইনের দুই পাশে এ পর্যন্ত ১৫ হাজারের অধিক ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেছি।
বৃক্ষপ্রেমী সুমনের বিষয়ে স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মুকুল বসু বলেন, সুমন রাফি অনেক বছর ধরে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করছেন। প্রকৃতির ভারসাম্যের জন্য ব্যাপকহারে গাছের চারা রোপণ করছেন তিনি। তার এ ভালো কাজ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
