এক যুবকের বয়স ৪৪ বছর। বুক ধড়ফড় বেশি করায় চিকিৎসকের কাছে যান। এক বছরে তার ৫ বার এনজিওগ্রাম করা হয়। কিন্তু সমস্যার সামধান হচ্ছিল না। পরে ফেসবুকে একটি ভিডিও দেখে ওই রোগী থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শক্তি আর. পলের কাছে যান। ডা. শক্তি প্রথমে তাকে রেফার করেন ওই হাসপাতালের একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখে তিনি জানান, রোগীর ওই ধরনের কোনো সমস্যা নেই। পরে ডা. শক্তি ওই রোগীর প্যানিক ডিজঅর্ডার শনাক্ত করেন।
ঢাকার এক ১৬ বছরের কিশোরকে রক্তের ক্যানসার (লিউকেমিয়া) নির্ণয় করে সেই ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। পরে ডা. শক্তির কাছে গেলে তিনি রোগীর কালাজ্বর শনাক্ত করেন। ছয় মাসে এই রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়।
শুধু এই দুই রোগী নয়; ডা. শক্তির দাবি, তার কাছে যাওয়া ৯০ শতাংশেরই তিনি রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন। অনির্ণীত রোগ সম্পর্কে জানাতে গতকাল শনিবার ব্যাংকক হাসপাতালের বাংলাদেশ অফিস এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। ঢাকার কারওয়ান বাজারে দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ের তৌফিক আজিজ খান সেমিনার হলে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. শক্তি আর. পল অনির্ণীত রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি অনির্ণীত রোগে ভোগা রোগীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক রোগী বারবার চিকিৎসকের কাছে গেলেও সঠিক রোগ নির্ণয় হচ্ছে না। এতে রোগীর দীর্ঘমেয়াদি কষ্ট, আর্থিক চাপ ও মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যায়।
