তাহলে জেনে বুঝে ইডেনের এমন উইকেট তৈরি করেছিল ভারত!

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৩ পিএম

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টেস্ট ঘিরে যখন পিচের অনিয়মিত আচরণ নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে, ঠিক তখনই সামনে এসে সব অভিযোগ নাকচ করে দিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। দলের ১২৩ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়ে ৩০ রানে হারার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গম্ভীর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—এই পিচই ছিল ভারতের চাওয়া।

তিনি বলেন, 'আমরা ঠিক এই ধরনের পিচই চেয়েছিলাম। কিউরেটর দারুণ সহযোগিতা করেছেন। আমরা যা চেয়েছি, সেটাই পেয়েছি। যদি ভালো না খেলো, তাহলে এমনই হবে।'

ম্যাচ জুড়ে দুই দলের ব্যাটাররাই পিচ বুঝে খেলতে হিমশিম খেয়েছেন। কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাবুমাই লড়াকু ফিফটি করেছেন ১৩৬ বল খেলে। তবুও গম্ভীরের বিশ্বাস, উইকেটে কোনো জুজু ছিল না, 'উইকেটে কোনো জুজু ছিল না। অখেলাযোগ্য কিছুই ছিল না। বাবুমা রান করেছে, অক্ষর করেছে, ওয়াশি (ওয়াশিংটন সুন্দর) রান করেছে। যে উইকেটকে আপনারা ‘টার্নিং ট্র্যাক’ বলছেন, সেই ম্যাচে ৪০ উইকেটের বেশিরভাগই নিয়েছে পেসাররা—এটাই আসল কথা।'

গম্ভীর আরও মনে করেন, এই ধরনের উইকেটে রান করা সম্ভব, তবে তার জন্য থাকতে হবে যথাযথ টেকনিক ও মানসিক দৃঢ়তা, 'এই উইকেটে যদি কারও টেকনিক ঠিক থাকে, মানসিকভাবে শক্ত থাকে এবং টেম্পারামেন্ট থাকে, তাহলে রান করা যায়। যারা ডিফেন্স ভালো করেছে—যেমন রাহুল, ওয়াশিংটন—তারা রান পেয়েছে। আক্রমণাত্মক খেললে সমস্যা হবেই।'

দুই ইনিংসে ৪+৪=৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা প্রোটিয়া স্পিনার সাইমন হারমার। তবুও গম্ভীর মনে করেন, উইকেটে টার্ন থাকলেও ফলাফলে পেসাররাই বড় ভূমিকা রেখেছে, 'এত টার্ন থাকার পরও বেশিরভাগ উইকেট গেছে পেসারদের। টার্ন খেলতে জানতে হবে—এটাই আসল। আমরা যে ধরনের উইকেট চেয়েছিলাম, ঠিক সেটাই পেয়েছি। কিউরেটর দারুণ কাজ করেছেন।'

প্রথম ইনিংসে ৩০ রানে পিছিয়ে থাকার পরও ভারতের সামনে ১২৩ রানের টার্গেট দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। গম্ভীর মনে করেন এই লক্ষ্য তাড়া করে যেতো। কিভাবে? 'হয়তো উইকেটটা এমন নয় যে বড় শট খেলা যায়। কিন্তু মাথা নিচু করে লম্বা সময় ব্যাট করলে এই উইকেটে রান করা সম্ভব।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত