গুলশানে ইয়ুথ ক্লাব মাঠের অবৈধ ক্যাফে লাইব্রেরি সিলগালা

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:১৭ এএম

গুলশানে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কে (দায়িত্বে ইয়ুথ ক্লাব মাঠ) অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে স্থাপিত ক্যাফে, লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন স্থাপনা সিলগালা করে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। গতকাল রবিবার রাজউকের উপপরিচালক মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

জানা গেছে, রাজউকের গুলশান মডেল টাউনের নকশা অনুযায়ী, ৮ দশমিক ৮৭ একর আয়তনের পার্কটির অবস্থান গুলশান-২ নম্বরের ১৩০-এ প্লটে। আগে নাম ছিল গুলশান সেন্ট্রাল পার্ক। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে নতুন নামকরণ হয় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্ক। পার্কের ৫ দশমিক ৫৪ একর জায়গা অনেক দিন ধরে ইয়ুথ ক্লাবের দখলে। উন্নয়ন-সংস্কারের পর পার্কের বাকি ৩ দশমিক ৩৩ একর অংশ দেড় বছর আগে উদ্বোধনের পর উন্মুক্ত করে দেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

পুরো পার্কের ব্যবস্থাপনা-রক্ষণাবেক্ষণে গত বছরের শুরুতে ডিএনসিসি ও ইয়ুথ ক্লাবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। ক্লাবের কাছেই পার্কের ব্যবস্থাপনা-রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয় করপোরেশন। এরপরই পার্কের ভেতর অনেক স্থাপনা গড়ে ওঠে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা সিটি করপোরেশন থেকে অনুমোদন নিয়ে যথাযথভাবেই পার্কটি পরিচালনা করে আসছে।

রাজউকের উপপরিচালক মো. লিটন সরকার বলেন, ‘এই পার্ক জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা ছিল। কিন্তু এখানে জায়গা দখল করে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। উন্মুক্ত পার্কে মূলত কমার্শিয়াল অ্যাকটিভিটিস চলছে। টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ জনগণ পার্কের সুবিধা কতটা ভোগ করছে, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান।’

এ বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘গুলশানের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কটি উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে পরিচালনার জন্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা শর্ত ভঙ্গ করে নিজেরাই পরিচালনা না করে ইয়ুথ ক্লাবের কাছে দিয়েছে। ইয়ুথ ক্লাব সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করছিল। সেখানকার স্থাপনা সিলগালা করা হয়েছে। পার্কটি পরিচালনার বিষয়ে গুলশান, বনানী সোসাইটিসহ সব অংশীদারের সঙ্গে পরামর্শ করছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত