ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে পরাজিত প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার সময় চোখের সামনে ভেসে উঠেছিল শহীদ বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের শেষ মূহুর্তের স্মৃতি। যখন ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণা করা হচ্ছিল, আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। প্রতিটি শব্দই আমাকে ফিরিয়ে নিচ্ছিল সেই ভয়াবহ মূহুর্তে। রায়ে জুলাই হত্যার বিচার প্রতিফলিত হয়েছে। শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। এটি গোটা জাতির জন্য একটি শিক্ষা, যেন ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করতে না পারে। আমরা নিজেরাও যেন ভুল না করি।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদরের মীরকাদিম পৌরসভার দক্ষিণ রামগোপালপুর ডেপুটি বাড়ি এলাকায় জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মীরকাদিম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মানিক মিয়া শাহরিক চৌধুরীর কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকার চানখাঁরপুলে শাহরিক ও আমরা একসঙ্গে ছিলাম। শাহরিক ঠিক আমার খুব কাছেই ছিল। স্নাইপারের গুলিতে তার প্রাণ ঝরে যায়। আমার চোখের সামনেই শাহরিক ও আনাসসহ প্রায় ছয়জন শহীদ হন। তাই রায়ে যখন তাদের নাম মনে হচ্ছিল, সেই তালিকায় আমার নামও থাকতে পারত।
শহীদ শাহরিকদের অবদান স্মরণ করে আবিদুল ইসলাম খান বলেন, শাহরিক শুধু মীরকাদিমের নয়, গোটা বাংলাদেশের গর্ব। রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জীবন বিলিয়ে দেওয়া এই শহীদদের তরুণ প্রজন্ম যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে। সেই স্পৃহা নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যাব।
আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের পতন চূড়ান্ত। তারা যতই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করুক-এই দেশে তাদের আর রাজনৈতিক উত্থানের সুযোগ নেই। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করলেও জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মানিক মিয়া শাহরিক চৌধুরীর বাবা মো. আনিছ চৌধুরী, মীরকাদিম পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন আহাম্মেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খাকান হোসেন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আদর, সদস্য আনাস হাসান তিলক, মুন্সীগঞ্জ শহর ছাত্রদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. রোমান হোসেন, সরকারি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. হৃদয়, যুগ্ম আহ্বায়ক আল তারিফ, ছাত্রদল নেতা আবু রুইয়াম, তাহমিনুর রশীদ প্রমুখ।
ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে যা দেখা যাচ্ছে
অকাল প্রয়াত ওড়িশার জনপ্রিয় গায়ক হুমান সাগর