নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘রেকর্ডসংখ্যক’ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অংশ নেবেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার পুনঃসূচনা হবে এবং সবাই এর ইতিহাসের অংশীদার হতে পারবে।
গতকাল শনিবার গুলশানের একটি হোটেলে ‘এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস’ আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, সাধারণত অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনগুলোতে বহু বিদেশি পর্যবেক্ষক আসেন। এবারের নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকায় ইতিবাচক বার্তা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আসা শুরু করবেন। যেকোনো বিদেশি নাগরিক দূতাবাসের মাধ্যমে পর্যবেক্ষক হওয়ার আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের আবেদনগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকায় গত তিন নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছে, তাদের নেওয়া যায়নি জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে ৩০০টিরও বেশি আবেদন পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ৮০টি প্রতিষ্ঠান আসন্ন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, দেশের নাগরিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আগামী ২৫ নভেম্বর আলোচনা করা হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের বয়সসীমা কমিয়ে ২৪ থেকে ২১ বছর করা হয়েছে। অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
কর্মশালায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য আয়োজন করেছে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস।
