মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভবেরচর গণহত্যা দিবসেও বড় অনাদরে, অবহেলায় কাটছে দিনটি, স্মৃতিস্তম্ভটিও সাড়া বছর অযত্নে ঝোপঝাড় আর ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, দেখার কেউ নেই।
জানা যায়, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীরসহ ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতি রক্ষার্থে ভবেরচর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এই মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়, প্রতি বছরই দিবসটা উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর স্মৃতি সংসদসহ একাধিক সংগঠন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি পালন করে, এই উপলক্ষ্যে স্মৃতি স্তম্ভটি ধোঁয়া মোছা করে পরিষ্কার করা হয় কিন্তু এবছর দিবসটি ঘিরে নেই কোন কর্মসূচি, স্মৃতি স্তম্ভটিও ঝোপঝাড়ে আর ময়লা আবর্জনায় ডেকে আছে।
সরেজমিনে রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ঘটিকায় উপজেলার ভবেরচর বাসষ্টান্ড সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ ঘুরে দেখা যায়, স্তম্ভের ভাস্কর্যের মধ্যেই আগাছা জন্মেছে, চারপাশে আগাছায় ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে, পাশেই স্থানীয় রেস্টুরেন্টে আর ক্লিনিকের বর্জ্যে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, স্থানীয় পথচারী আর স্ট্যান্ডের লোকজন প্রস্রাব করছে।
হতাশা ব্যক্ত করে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর এর ভাই হাফিজ আহমেদ বলেন, প্রতি বছর তো আমরা নানা আয়োজন এর মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালন করি কিন্তু এ বছর নানা প্রতিবন্ধকতায় তা সম্ভব হয়ে উঠে নাই, আশা করি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বিষয়টা পরবর্তীতে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করবেন এবং স্মৃতি স্তম্ভটি রক্ষা করবেন।
বিষয়টা নিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ম. সিরাজুল ইসলাম পিন্টু বলেন, এটা অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা আর আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা প্রশাসন এখনো আমাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন নাই, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ, এই বিষয়টা আন্তরিকভাবে দেখার আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টা আমার জানা ছিল না, আমি আজই পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে রক্ষণাবেক্ষণ এর উদ্যোগ গ্রহণ করবো।
হালুয়াঘাট মুক্ত দিবসে দোয়া মাহফিল, প্রিন্সকে সমর্থন এলাকাবাসীর