ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, চলমান দুর্নীতি মামলায় প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে ক্ষমা মিললেও তিনি রাজনীতি ছাড়বেন না। গতকাল রবিবার (৭ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে একজন প্রতিবেদক অবসর নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে নেতানিয়াহু এককথায় বলেন, “না।”
নেতানিয়াহু গত মাসে প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন। তার আইনজীবীদের যুক্তি—নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হওয়ায় সরকার পরিচালনায় বাধা তৈরি হচ্ছে, তাই ক্ষমা দেওয়া হলে তা রাষ্ট্রের জন্যও ইতিবাচক হবে। তবে দেশটিতে সাধারণত বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই ক্ষমা দেওয়া হয়; চলমান মামলার মাঝে ক্ষমার নজির নেই।
প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি এবং আস্থাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, যা তিনি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। তার আইনজীবীদের দাবি, মামলাটি শেষ হলে তিনি খালাস পাবেন বলেই তারা মনে করেন।
নেতানিয়াহু ক্ষমা চাওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চিঠি দিয়ে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টকে বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিকদের একাংশ মনে করেন—ক্ষমা পেতে হলে নেতানিয়াহুকে আগে রাজনৈতিক জীবন থেকে সরে দাঁড়াতে হবে এবং দায় স্বীকার করতে হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন, ক্ষমা চাইলে তাকে আগে জাতীয় নির্বাচনে যেতে হবে, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যেই হওয়ার কথা।
থাই–কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের উত্তেজনা, গুলিবিনিময়ে আহত ২ থাই সেনা