ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালিত আন্তর্জাতিক ইংরেজি ভাষার পরীক্ষা (আইইএলটিএস) এ মার্কিং ত্রুটির কারণে প্রায় ৮০,০০০ পরীক্ষার্থী ভুলভাবে পাস মার্ক পেয়েছেন। এর ফলে তারা বাধ্যতামূলক ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষায় ফেল করার পরও ভিসা পেতে সক্ষম হয়েছেন।
দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই প্রযুক্তিগত ত্রুটি ঘটেছিল। আইইএলটিএস জানিয়েছে, সমস্যায় প্রায় এক শতাংশ পরীক্ষার্থী প্রভাবিত হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই প্রভাবিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সঠিক ফলাফল জানানো হয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন মানুষ এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। আইইএলটিএস ব্রিটিশ কাউন্সিল, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইডিপি এর যৌথ মালিকানাধীন।
গত বছর, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজ ইউনিয়ন অভিযোগ করেছিল যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি ছাত্রদের কম ইংরেজি দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও ভর্তি করে, কারণ তারা উচ্চ টিউশন ফি প্রদান করে। কিছু অধ্যাপক জানিয়েছেন, প্রায় ৭০ শতাংশ বিদেশি ছাত্রদের ইংরেজি দক্ষতা পর্যাপ্ত নয়।
ব্রিটিশ কনজার্ভেটিভরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, যারা পরীক্ষা ফেল করেও ভিসা পেয়েছেন তাদের দেশে ফেরত পাঠানো উচিত। শ্যাডো হোম সেক্রেটারি ক্রিস ফিল্প বলেন, ‘যারা ইংল্যান্ডে এসে ইংরেজি শেখেননি, তারা একীভূত হতে পারবে না এবং স্বাধীন জীবন গড়তে পারবে না। এটি একটি মহা ব্যর্থতা।’
তারা জানাচ্ছে, চীনা, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বিক্রি করার অভিযোগের পাওয়া গেছে। এসব পরীক্ষার্থীরা আগেই সঠিক উত্তর জানতে পারে।
