ঘন কুয়াশার কারণে বরিশালের সড়ক ও নদীপথ সোমবার পর্যন্ত কার্যত অচল ছিল। বাসসহ যাত্রীবাহী লঞ্চের চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা বড় ধরনের অসুবিধার মুখে পড়েন।
রোববার এবং সোমবার ঢাকা-বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের নদীপথ বন্ধ থাকলেও, আজ মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূলে আসায় লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। তবে যাত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘন কুয়াশার কারণে ৮ ঘণ্টার যাত্রা ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় নিতে পারে।
ঢাকা-বরিশাল রুটে বাস চললেও কুয়াশার কারণে গতি সীমিত হওয়ায় সময়ক্ষেপণ বেশি হচ্ছে। দুর্ঘটনা এড়াতে বরিশাল বাস মালিক গ্রুপ বাস চালকদের ধীরগতিতে সাবধানতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বরিশাল নৌবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকাগামী চারটি লঞ্চ এবং ভায়া রুটের একটি লঞ্চ যাত্রী নামিয়ে বাতিল করা হয়। সোমবারও বরিশাল নদীপথে লঞ্চ চলাচল করতে পারেনি। মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি পেয়েছে, রাত ৯টার দিকে বরিশাল নৌবন্দর থেকে ঢাকা-বরিশাল রুটের সরাসরি চারটি এবং ভায়া রুটের একটি লঞ্চ ছেড়ে যায়।
ঢাকা-বরিশাল রুটের বাস চলাচল বন্ধ না হলেও অতিরিক্ত সাবধানতার সঙ্গে চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে সড়কপথে চার ঘণ্টার যাত্রায় সময় লাগছে ৬-৭ ঘণ্টা।
বরিশাল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে গত চারদিন ধরে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। এ সময় বরিশালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মাশারফ হাসন বলেন, ‘আমরা বাস চলাচল বন্ধের কোনো নির্দেশনা দিইনি। তবে চালকদের ধীরগতিতে সাবধানতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জুলফিকার আলী জানান, সদর দফতরের নির্দেশনায় মঙ্গলবার রাত থেকে ঢাকা-বরিশাল রুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।
