স্মৃতিগুলো থেকে যাবে অপেক্ষায়...

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:১৯ এএম

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের তিনটি জেলার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। দিনাজপুর তার শৈশব-কৈশোরের শহর, নিজের শহর। ফেনী তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের পৈতৃক নিবাস। আর বগুড়া শ্বশুরবাড়ি। পারিবারিক সূত্রে যেমন এই তিন জেলার সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন খালেদা জিয়া, তেমনি রাজনৈতিক কারণে ছিলেন আরও বেশি জড়িত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বগুড়া-৭, দিনাজপুর-৩ ও ফেনী-১ আসন থেকে ভোট করতে চেয়েছিলেন তিনি। গত সোমবার নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে তার পক্ষে ওই তিন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। সুস্থ থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারলে হয়তো নির্বাচনী এলাকাগুলোতে যেতেন তিনি। যাওয়া হতো নিজের শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে, বাবার পৈতৃক ভিটায় কিংবা বগুড়ার শ্বশুরবাড়িতে। কিন্তু এরই মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়া।

শৈশবের বাড়িটি থাকবে অপেক্ষায় : বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার সুবাদে পরিবার নিয়ে দিনাজপুরে আসেন। তারা দিনাজপুর শহরের ঘাসিপাড়ায় একটি বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট ইস্কান্দার মজুমদার ও বেগম তৈয়বা মজুমদার দম্পতির ঘরে জন্ম নেন খালেদা খানম পুতুল। তিন বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে খালেদা খানম ছিলেন তৃতীয়। জন্মের সময় শিশুটি ছিল অপরূপ সুন্দর। যেন পুতুল! পরিবারের ডাক্তার অবনী গোস্বামী পরামর্শ দিয়েছিলেন নবজাতকের নাম রাখা হোক ‘শান্তি’। তিনি বলেছিলেন, যুদ্ধের এত ধ্বংসের মাঝে এই শিশুর জন্ম মানুষকে শান্তির বার্তা দিক। তবে শিশুটি পুতুলের মতো কমনীয় ও সুন্দর হওয়ায় সবাই তাকে ‘পুতুল’ নামে ডাকতে পছন্দ করতেন। নামটি তার বড় বোন সালিমা আক্তার বিউটির দেওয়া। খালেদা খানম পুতুলের জন্মের পর তারা শহরের বালুবাড়ী শহীদ মিনার মোড়ে তৈয়বা ভিলায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। এই তৈয়বা ভিলা থেকে শৈশবের দিনগুলো অতিবাহিত করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি পাঁচ বছর বয়সে দিনাজপুরের মিশন স্কুলে (সেন্ট জোসেফস স্কুল) ভর্তি হন। এরপর দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। একই বছর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয়। এরপর থেকে তিনি খালেদা জিয়া বা বেগম খালেদা জিয়া নামে পরিচিতি লাভ করেন। বিয়ের পর তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে বসবাসের আগে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে (বর্তমানে দিনাজপুর সরকারি কলেজ) পড়াশোনা করেন।

দিনাজপুর পৌর শহরের বালুবাড়ি এলাকায় অবস্থিত তৈয়বা ভিলায় গিয়ে দেখা যায়, ভবনটি বর্তমানে ‘ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে দ্বিতীয়তলায় খালেদা জিয়া এবং তার বাবা-মা যে কক্ষে বসবাস করতেন, সেই কক্ষগুলো সংরক্ষিত হিসেবে তালাবদ্ধ রয়েছে। এসব কক্ষ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কারিনা বেওয়া নামের একজন বৃদ্ধা রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন খালেদা জিয়ার বাবা-মাকে দেখাশোনা করেছেন। বর্তমানে তিনি সেই কক্ষগুলো দেখাশোনা করছেন।

খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার, মা বেগম তৈয়বা মজুমদার ও বড় বোন খুরশিদ জাহান হক (চকলেট আপা) মৃত্যুর আগপর্যন্ত এ বাড়িতেই বসবাস করেছিলেন। মৃত্যুর পর বাবা, মা ও বড় বোনের দাফন হয়েছে শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে।

বাড়ির কেয়ারটেকার কারিনা বেওয়া বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এখানে দায়িত্বে আছি। আমি খালেদা জিয়াকে এখানে এসে পাইনি। তার বাবা-মাকে পেয়েছি। উনারা খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আমাকে অনেক ভালোবাসতেন। আজ পর্যন্ত এখানে আমি আছি। তাদের আত্মীয়স্বজনরা প্রায়ই এ বাসায় আসেন। বর্তমানে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদে সেখানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

খালেদা জিয়ার মায়ের বাসার পাশের বাসার বাসিন্দা ৭৮ বছর বয়সী মোস্তাক হাসানুর। তিনি বলেন, ‘তৈয়বা ভিলাটি খালেদা (পুতুল) আপার মায়ের নামে নামকরণ করা হয়েছে। আপা আমার থেকে দুই থেকে তিন বছরের বড় হবেন। পাশাপাশি বাড়ি আমাদের, আমি সবসময় তাদের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতাম। তার বাবা-মা আমাকে অনেক ভালোবাসতেন এবং পুতুল আপাও আমাকে খুব স্নেহ করতেন। আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।’

খালেদা জিয়ার খালাতো ভাই আবু তাহের আবু বলেন, ‘আমি আপার চেয়ে অনেক ছোট। আমি জন্মের পর দিনাজপুরে তাকে পাইনি। জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি চলে যান। তার মা আমার মায়ের ছোট বোন। তার বাবা-মা আমাকে খুব আদর-যত্ন করতেন। আমরা তার মৃত্যুতে খুব শোকাহত।’

শৈশবের দিনগুলো কাটানো সেই পুতুলের মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো দিনাজপুর। দলের চেয়ারপারসনকে হারিয়ে শোকাহত নেতাকর্মীরা। শোক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মাঝেও। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা-ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা শহরের জেল রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ও তার শৈশবের বাড়িতে আসতে শুরু করেন। প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানাতে তাদের চোখ অশ্রুসিক্ত। সকাল থেকে দলীয় কার্যালয় ও তার মায়ের বাসায় কোরআন তেলাওয়াত করা হচ্ছে। এই দিনাজপুর শহরে খালেদা জিয়ার জন্ম ও শৈশবের বেড়ে ওঠা হলেও রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো এই এলাকার জনপ্রতিনিধি হতে প্রার্থী হননি। সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৩ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তার বড় বোন খুরশীদ জাহান হক। নিজের জন্মস্থানে এবার প্রথম প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জেলা বিএনপির নেতারা। তাকে নির্বাচিত করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকা দিনাজপুরবাসীর স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।

শোকে স্তব্ধ বগুড়ার জিয়া বাড়ি : বগুড়ার পুত্রবধূ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে বগুড়ার জিয়াবাড়ি। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শোক ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দলে দলে লোকজন ছুটে আসছেন জিয়াবাড়ির প্রাঙ্গণে।

বাড়ির সামনে বসে আছেন প্রায় ৯০ বছর বয়সী রোকেয়া বেগম। সেই ছোটবেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নানি মরহুমা জোবেদা খাতুন তাকে এনেছিলেন এই বাড়িতে। তারপর বিয়ে, স্বামী, সংসার সবই এখানে তার। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন তিনি। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম এখন জিয়াবাড়ির দেখাশোনা করেন।

শোকে স্তব্ধ রোকেয়া শুরুতে কথা বলতে নারাজ। পরে বললেন, ‘সেই ছোটকালে হামাক লিয়ে আসছে জিয়ার নানি। তারপর থেকে কতগুলা যুগ পার হলো, এটি আছি। বিয়ে দিল, স্বামী সংসার সব এটি। জিয়া এই বাড়িত আসছে, থাকছে। কয়দিন আগে লোকজন আসলো, তারা কয়ে গেল এই বাড়ির ব্যাটার বউ খালেদা ভোট করবি গাবতলীত। শুনে ভালোই লাগলো, আরও কয়ে গেল বাড়িত আসবি। বাড়িডা সাজানের কথা কয়ে গেল।’

এই বাড়িতে খালেদা জিয়া কখনো আসেন কি না এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সবশেষ যেবার প্রধানমন্ত্রী হলো, সেবার একবার আসিছিলো, অল্পক্ষণ বসে চা-পানি খায়া চলে গেছে। এবার ভাবছি আসবি। তাক তো আল্লাহ লিয়ে গেল। আল্লাহ খালেদা জিয়াকে জান্নাত দান করুক।’ এরপর আর কথা বলতে পারেননি তিনি।

জিয়াবাড়িতে কথা হয় বগুড়া শহরের রিয়াজ কাজী লেন এলাকার আনজুয়ারা, তার মেয়ে আয়শা ও পাপড়ীর সঙ্গে। তারা বলেন, ‘খালেদা জিয়া মারা গেছেন এটা মেনে নেওয়ার মতো নয়। সকালে খবর পাওয়ার পরই আমরা সিদ্ধান্ত নিই, যেহেতু তাকে দেখতে পারব না, তবে বাগবাড়ির জিয়াবাড়িতে গিয়ে দেখে আসি। এখানে এসে মনটা আরও বেশি খারাপ হয়ে গেছে। আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন।’

বাগবাড়ী নশিরপুর এলাকার ইফতি, রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে এই বাড়িতে আমরা আসি। সামনে খেলি। কিন্তু আজকের পরিবেশ পুরোটা আলাদা। চারদিকে যেন শোক ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ছে না। শোকে স্তব্ধ হয়ে আছে বাড়িটি। এই বাড়ির প্রতিটি কোনায় যেন শোকের ছায়া। পুকুরপাড় ঘাটে আজ বসতে সাহস হয়নি আর।’

এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে গাবতলীর বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়, বাড়িঘর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জড়ো হয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। দলীয় কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্থানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

শোকস্তব্ধ ফেনী : বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে তার পৈতৃক জেলা ফেনীর জনগণ। তার মৃত্যুর খবরে ফুলগাজীর দক্ষিণ শ্রীপুরের মজুমদার বাড়িতে এখন শুধু শোকের মাতম ও হাহাকার। মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া-দরুদ পড়ছেন লোকজন। ফেনী-১ সংসদীয় আসন (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) এলাকার মসজিদের মাইকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ ছাড়া এলাকার স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ সকাল থেকেই এ বাড়িতে ভিড় করছেন।

খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ি।

খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদারসহ স্বজন-প্রিয়জনরা তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। তাদের অনেকেই খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণা করছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে বড় বোন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আমরা স্তব্ধ হয়ে পড়ি। পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুর সংবাদ গ্রামের মাইকে প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার লোকজন তার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই জাহিদ হোসেন মজুমদার বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে হারিয়ে আমরা আজ শোকে মুহ্যমান। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একটা চাবি। নির্মম জেল-জুলুমেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাউদ্দিন আলাল বলেন, ‘তার সঙ্গে রাজনীতি করার সুযোগ এবং তার স্নেহধন্য হওয়া আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনগুলোর একটি। মহান রাব্বুল আলামিন এই মহীয়সী নারীকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন।’

ফেনীর সন্তান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুনিয়ার সফর শেষ করেছেন। কায়মানো বাক্যে মহান রবের দরবারে এ মহীয়সী নেত্রীর জান্নাত কামনা করছি।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার পরিচয়ে ধন্য ফেনী জেলা। দেশনেত্রীর কারণেই দেশের মানচিত্রে এই ছোট জেলাটি রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা দলীয় সীমানা ছাড়িয়ে দেশের আপামর মানুষের মনের মণিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত