উত্তরের হিমশীতল হাওয়ায় পটুয়াখালীর দুমকিসহ দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। হাড় হিম করা শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবনে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টায়ও সূর্যের আলো দেখা যায়নি। সড়ক ও নৌপথে চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। শীত থেকে বাঁচতে খেটে খাওয়া মানুষ আগুন জ্বালিয়ে ও গরম পোশাকে দিন শুরু করেছেন।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পটুয়াখালী জেলাজুড়ে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ বইছে। উত্তরের শীতল বাতাসের কারণে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক ও ভাসমান মানুষ। কাজের সময় কমে যাওয়ায় তাদের আয়ও কমেছে। খোলা স্থানে থাকা শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে সর্দি-কাশি ও শীতজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান ইউএনও মোছা; ফরিদা সুলতানা। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শীতের এই দুর্ভোগ অব্যাহত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
