পারিবারিক কারণে প্রথম তিন ম্যাচে দলের সঙ্গে ছিলেন না সৌম্য। ওই তিন ম্যাচ হারে নোয়াখালী। তিনি যোগ দেওয়ার পরও অবস্থা বদলায়নি। টানা ছয় ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে থাকা দলটির সামনে সবার আগে বাদ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা।
বৃহস্পতিবার নোয়াখালী হেরেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে। এই ম্যাচে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সৌম্য। খেলেছেন ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংস।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য সমর্থনের কোনো কমতি নেই। সিলেটে খেলা হলেও সুদূর নোয়াখালী থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাস বা গাড়ি ভাড়া করে খেলা দেখতে মাঠে হাজির হন দর্শকরা। তাদের এই সমর্থন বা ভালোবাসার কোনো প্রতিদানই দিতে পারেনি নোয়াখালী। একের পর এক ম্যাচ হেরে তাই এখন সমর্থকদের কাছে সরি বললেন দলের ওপেনার সৌম্য সরকার।
“তাদের (সমর্থক) জন্যও তো খারাপ লাগে। কিন্তু উনারা আমাদের খারাপ লাগাটা দেখছে কিনা এটা জানি না। আমরাও চেষ্টা করছি তাদের, তাদেরকে হ্যাপি করার জন্য। হ্যাঁ! আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। এটা তাদের কাছে আমরা সরিই বলবো, যে তারা এত কষ্ট করে খেলা দেখতে আসে কিন্তু আমরা...”
অভিজ্ঞ এই ব্যাটার বললেন, আপাতত একটি জয়ের জন্য মরিয়া পুরো দল। “আমি লাস্ট যে কয়েকটা ম্যাচ আমি খেলছি এখানে সবাই একটা ম্যাচ জিতার জন্য অনেক মরিয়া হয়ে আছে। সবাই চেষ্টা করছে এবং সবাই সবার বেস্টটা দেওয়ারও চেষ্টা করছে। কিন্তু হয়তোবা কোনো কারণে ওইটা আমরা ক্লিক করতে পারছি না।”
সৌম্য ৪৩ বলে ৫৯, ওয়াসিম ৩৫ বলে ৬০; স্ট্রাইকরেটেই পার্থক্য গড়ে দিলেন আমিরাত অধিনায়ক