গাজা শান্তিচুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সে লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠন করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চেয়ারম্যান বানিয়ে করা এই বোর্ডের সদস্য হিসেবে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন ‘বোর্ড অব পিসে’ যোগ দিতে একাধিক দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মিসর, জর্দান ও তুরস্কের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েনের কাছেও আমন্ত্রণপত্র গেছে বলে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মিসর, জর্দান ও তুরস্কের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েনের কাছেও আমন্ত্রণপত্র গেছে বলে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ‘বোর্ড অব পিস’ প্রাথমিকভাবে গাজার সংকট মোকাবিলা করবে। এ ছাড়াও বৈশ্বিক বিভিন্ন দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনেও কাজ করবে এই পর্ষদ। যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গ বলছে, প্রস্তাবিত এই পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। পাশাপাশি নতুন কোনো সদস্য নেওয়ার ক্ষেত্রেও তার ভেটো ক্ষমতা থাকবে। ব্লুমবার্গের হাতে আসা নথি অনুযায়ী, কোনো দেশ সাধারণত তিন বছরের বেশি সময় এই বোর্ডের সদস্য থাকতে পারবে না। তবে সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই যদি কোনো দেশ নগদ ১০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বোর্ড অব পিসে দেয়, তাহলে সেই দেশের সদস্যপদের মেয়াদ বাড়তে পারে। বোর্ড অব পিসের অধীনে একটি এক্সিকিউটিভ বোর্ডও গঠনের কাজ চলছে।
