যুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা থেকেই রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। সেই থেকে দহরম-মহরম শুরুর পর নিজ প্রশাসনেও মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে সে বন্ধুত্বে চির ধরেছে অনেক দিন। এবার ট্রাম্পের শান্তি বোর্ড নিয়ে কৌতুক করে মাস্ক বলেছেন, ট্রাম্পের এ বোর্ডের নাম শান্তি নয়, টুকরো পর্ষদ হওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, আমি যখন শান্তি সম্মেলনের কথা শুনলাম, আমি ভাবলাম এটা কি শান্তি, নাকি গ্রিনল্যান্ডের ছোট টুকরো অথবা ভেনেজুয়েলার ছোট একটা টুকরো। দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে ট্রাম্পের নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি বোর্ড নিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি করেন তিনি। তার এ মন্তব্যে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। যদিও পরে তিনি পরিস্থিতি সামাল দিতে যোগ করেন, আমরা সবাই শুধু শান্তিই চাই।
এদিকে, ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তিনি বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি স্পেনের বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইইউ শীর্ষ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। সানচেজ বলেন, ট্রাম্পের আমন্ত্রণের জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু এতে অংশ নিচ্ছি না। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয়তার প্রতি স্পেনের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতেই তারা এতে অংশ নেয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বোর্ড অব পিসে ফিলিস্তিনি কর্র্তৃপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা স্পেনের আপত্তির আরেকটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে, ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডাকে পাঠানো আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্যের পর বৃহস্পতিবার আমন্ত্রণপত্র তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ওই বক্তব্যে কার্নি প্রভাবশালী দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেছিলেন, তারা অর্থনৈতিক যোগসূত্রকে অস্ত্র এবং শুল্ককে
প্রভাব বিস্তারের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করছে।
