মিয়ানমারে বড় জয়ের পথে সেনাসমর্থিত দল ইউএসডিপি

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম

গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। গতকাল রবিবার শেষ দফার ভোট গ্রহণের পর সেনাসমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) বড় জয়ের পথে রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের দুই দফা ভোটে পার্লামেন্টের অধিকাংশ আসন নিজেদের দখলে নিয়েছে দলটি। শেষ দফার ভোটের ফলাফলে ইউএসডিপির নিরঙ্কুশ আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়েছে।

প্রথম দুই দফা ভোটে নিম্নকক্ষের ২০৯টি আসনের মধ্যে ১৯৩টি এবং উচ্চকক্ষের ৭৮টি আসনের মধ্যে ৫২টি আসন জিতেছে দলটি। উভয় দফাতেই ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ, যা ২০১৫ ও ২০২০ সালের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। পূর্বের দুই নির্বাচনে উপস্থিতি ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ।

নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। তবে মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নির্বাচনকে স্বীকৃতি দিক বা না দিক, জান্তা সরকারের কাছে জনগণের ভোটই মুখ্য।

ইয়াংগুনের বাসিন্দারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ভয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক ভোটার বাধ্য হয়ে ভোট দিয়েছেন।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকার উৎখাত হওয়ার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। নির্বাচনে অধিকাংশ বিরোধী দল অংশ নেনি, এবং সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) নিষিদ্ধ ছিল।

জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা এবং যুক্তরাজ্য অভিযোগ করেছে, সেনাবাহিনী ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এই ‘প্রহসনের’ নির্বাচন আয়োজন করছে।

একই সঙ্গে আসিয়ানের সাবেক চেয়ার মালয়েশিয়া জানিয়েছে, তারা এই নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত