কুষ্টিয়ার নির্বাচনী জনসভায় জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, আয়নাঘর থেকে মুক্ত হওয়া দাঁড়িপাল্লা এখন মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তারা বলছেন, সব দেখেছেন এবার দাঁড়িপাল্লা দেখবেন। তাই দাড়িপাল্লা নিয়ে নব্য জালিমরা ভয় পাচ্ছেন।
দাঁড়িপাল্লাকে ইনসাফের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের মর্যাদা, সম্মান রক্ষা করা হবে। বেকার ভাতা নয়, বেকারত্ব দূর করা হবে। নদী বাঁচানো হবে, মিল-কলকারখানা সঠিকভাবে চলবে। অন্য কোন দেশের অধীনে নয়, বাংলাদেশ নিজের মত করে স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে।
সোমবার সকালে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। তবে জামায়াত আমির সমাবেশস্থলে পৌঁছান বেলা ১২টার দিকে। এসেই তিনি প্রায় ৩০ মিনিট বক্তব্য রাখেন।
এর আগে সকাল থেকে সমাবেশ স্থলে দলে দলে নেতাকর্মীরা এসে অবস্থান নেন। জনসভায় জামায়াতের নারী-পুরুষ নেতাকর্মী ছাড়াও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন থেকে র্যাব পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
জেলার ভারপ্রাপ্ত আমির কুষ্টিয়া-২ আসনের প্রার্থী আব্দুল গফুর ও কুষ্টিয়া সদর আসনের প্রার্থী ইসলামী বক্তা আমির হামজাসহ চারটি আসনেরই সংসদ সদস্য প্রার্থী মঞ্চে বক্তব্য রাখেন। শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের নেতারাও বক্তব্য রাখেন। শেষে চার প্রার্থীকে দাড়িপাল্লা প্রতীক উপহার দেন জামায়াত আমির। সেখান থেকে মেহেরপুর জেলার সমাবেশের দিকে রওয়ানা হন জামায়াত আমির।
