এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শিক্ষক-প্রভাষক পদের বিপরীতে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী। এতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়ে গেল।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ‘সপ্তম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬’ ফলাফল প্রকাশ করে। সংস্থাটির শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান শাখার সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট ১৮ হাজার ৩৯৯ জন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে কর্মরত এমপিওভুক্ত ১ হাজার ২৭ জন শিক্ষকের আবেদন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাতিল করা হয়। বাকি ১৭ হাজার ৩৭২ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন ১১ হাজার ৭১৩ জন।
৫৫ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য থাকার কারণ সম্পর্কে মোস্তাক আহমেদ বলেন, শূন্যপদের বিপরীতে একই বিষয়ে নিবন্ধিত প্রার্থী বা আবেদনকারী না থাকায় এ পদগুলো খালি রয়ে গেছে।
এনটিআরসিএ’র তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশপ্রাপ্ত ১১ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে স্কুল-কলেজে রয়েছেন ৫ হাজার ৭৪২ জন, মাদ্রাসায় ৪ হাজার ২৫৫ জন, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩৫৪ জন, কারিগরি বিষয় চালু থাকা সাধারণ স্কুলে ১ হাজার ১৫৫ জন এবং কারিগরি বিষয় চালু থাকা মাদ্রাসায় ২০৭ জন প্রার্থী।
গত ৬ জানুয়ারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২৯ হাজার ৫৭১টি, মাদ্রাসার ৩৬ হাজার ৮০৪টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩৩টি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এ নিয়োগে শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ থাকা এবং বয়স ৩৫ বছরের কম এমন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারতেন। আবেদন ফরম পূরণের সময়ই পুলিশ-ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করানো হয়।
সুপারিশপ্রাপ্তদের তালিকা এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটে (https://ntrca.gov.bd/) ‘৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬’ সেবা বক্সে এবং http://ngi.teletalk.com.bd লিংকে পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও তাদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রার্থীদের তথ্য দেখতে পারবেন। এছাড়া, রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক এসএমএসের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের জানাচ্ছে সুপারিশপ্রাপ্তির খবর।
