পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় পৌর শহরে থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে দেন পটুয়াখালী-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। মিছিলে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী কর্মী অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সরকারি কলেজ মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপি সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়। পরে ওই ঘটনার প্রতিবাদে পৌর শহরে মিছিল বের করলে সেখানেও বিএনপি সমর্থকরা হামলা করে বলে দাবি করেন তারা। এছাড়া চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে বিএনপি কর্মীরা লাথি মেরেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপে জামায়াত সমর্থকরা ভোটের জন্য টাকা বিতরণ করছিলেন। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএনপি সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। পরে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিলের নামে দলবল নিয়ে বিএনপি সমর্থকদের ওপর হামলা করে এবং সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপি প্রার্থী সহিদুল আলমের গাড়ি অবরুদ্ধ করে।
অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে বিএনপি জানায়, যে কোনো সংস্থা চাইলে বিষয়টি তদন্ত করতে পারে।
