ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটের আগের রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ভোটার উপস্থিতিতে প্রভাব ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তাঁর ভাষ্য, এসব অপপ্রচারের কারণে অনেকে কেন্দ্রে আসতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা হাই স্কুল কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় কেন্দ্রের পরিবেশ ও ভোটার উপস্থিতি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
এম এ কাইয়ুম বলেন, আমি ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলাম। প্রায় ১৭ বছর পর আবার ভোট দিলাম। কেন্দ্রে ভোটার কম দেখছি। মিথ্যাচার, অপপ্রচারে মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছেন। এজন্য তাদের কেন্দ্রে উপস্থিতি কম দেখছি। আশা ছিল, আরও বেশি ভোটার কেন্দ্রে আসবে। তারপরও কেবল দিনের শুরু। এখনও অনেক সময় আছে। সবাইকে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট হবে। কোনো ষড়যন্ত্র কোনো কিছুই এবারের ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে পারবে না। সম্মানিত ভোটার, আপনারা আমাকে চেনেন। আমি নির্বাচিত হলে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত ঢাকা-১১ আসন গড়বো। ধানের শীষে আপনার মূল্যবান ভোটটা দেবেন, আপনাদের কল্যাণ-মঙ্গলের জন্য কাজ করবো।
উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আগেও এ এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছি, আগামী দিনেও কাজ করবো। আপনারা জানেন, বাড্ডা এলাকাটি অবহেলিত এলাকা। গুলশানের পাশে হওয়ায় এটার দিকে কেউ নজর দেয় না। তবে বিএনপি সরকারের আসার পর আমরা এ এলাকায় গ্যাস-পানির ব্যবস্থা করেছি।
অতীতের কাজের উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর গুলশান-বাড্ডা লিংক রোড করেছি। এ এলাকায় রাস্তাঘাট করেছি। এগুলো আগে এমন ছিল না। দুই যুগ আমি কমিশনার ছিলাম এ এলাকায়। সেসময় থেকে কাজ করে যাচ্ছি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে এম এ কাইয়ুম জানান, মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ঢাকা-১১ আসন গড়তে আমি কমিউনিটি বেজড কাজ করবো। এলাকার তরুণ-যুবকদের কাজে লাগিয়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধে উদ্যোগ নেবো। পুরো এলাকাটি সিসিটিভির আওতায় আনবো।
এ ছাড়া বাড্ডা এলাকায় ফুটপাত ও সড়কে হকার বসার কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাড্ডা এলাকায় রাস্তায় হকাররা বসেন। তারা যত্রতত্র বসায় রাস্তায় চলাচলে সমস্যা হয়, যানজটের সৃষ্টি হয়। এজন্য হকারদের জন্য পাইলট প্রোগ্রাম হাতে নেবো। তারা রাস্তার এক লেনে বসবে। তাদের কাছ থেকে কেউ চাঁদা নেবে না। সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা সব নজরদারি করা হবে। এটা ঢাকা-১১ আসনের সব জায়গায় করা হবে।
পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার
বেশিরভাগ পোলিং এজেন্ট বিএনপি-জামায়াতের
মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ