বাউফলে জামায়াতের বিরুদ্ধে হামলা ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক নিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে উপজেলা বিএনপি। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যলয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলেটির সদস্যসচিব মো অপেল মাহামুদ ফিরোজ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বিজয়ের পর থেকে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীর ওপর জামায়ত চড়াও হন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকে আজ বিকাল পর্যন্ত দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। এতে যুবদলের আহ্বায়ক গাজি গিয়াসের কালাইয়া বন্দর বাজারে অবস্থিত বাসভবনে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বসত বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন।

এছারা মদনপুরা জামায়েতে ইসলামী নেতা জলিলের নেতৃত্বে বিএনপি দলী অফিস কেশবপুর ছাত্র শিবিরের ক্যাডার ওমরের নেতৃত্বে যুবদল নেতা আরিফ, আবুতাহের, অলিউল্লাহ, আফজাল বয়াতি, বাচ্চু মালাকার ও দেলাওয়ারকে মারধর করা হয় বলে উল্লেখ করেন।

চন্দ্রদ্বীপে জাময়াতের হামলায় কামাল মেম্বার, সালাম শরীফ, আমলগীর সরদার, যুবদল সভাপতি ফিরোজ গাজীর স্ত্রীর উপর হমলা এবং কনদিয়া ইউনিয়নে জামায়াত নেতার খালাতো ভাই মাহমুদের নেতৃত্বে আলমগীর গাজি, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে মারধর করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এসকল মারধরের ঘটনায় এবং গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ এবং আইনানুগ ব্যববস্থা গ্রহণসহ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সন্ত্রসী কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন ওই লিখিত বক্তব্যে। এছাড়াও কাছিপাড়া ও কালাইয়া ইউনিয়নের একাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমার জানামতে তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। তবুও খবর নিয়ে দেখছি যদি এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, মৌখিতভাবে আমরা বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকটি যায়গায় আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে অইনগত ব্যবসস্থা গ্রহণ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত