চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে ২ জন নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় শরিফ উদ্দীন দুলাল (৪০) নামের যুবককে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতরাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, চরবাগডাঙ্গার ফাটাপাড়ার যে বাড়িতে বোমা তৈরীর সময় বিষ্ফোরণে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হয় সেই বাড়ির মালিক কালাম আলীর ভাই দুলালকে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে চরবাগডাঙ্গার ফাটাপাড়ার চান মোহাম্মদের ছেলে ইউসুফ (৪৫) ও গোঠাপাড়ার ফজর আলীর ছেলে শাকিল (৩৭) ও বিষ্ফোরণে আহত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফাটাপাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান (২০), জেনারুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ (২২) ও রানীহাটি উপরধুমি গ্রামের রফিজুল ইসলামের ছেলে শুভ (২০) কে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষ্ফোরণের ঘটনায় শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় বিষ্ফোরক আইনে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮ থেকে ১০ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহার নামীয় ৭ আসামীসহ মোট ৮ জনকে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুলাল আগে স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের যোগ দিয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচন করেন। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া দুলালকে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নির্বাচনের পর এলাকায় আধিপত্যবিস্তারের জন্য বিবাদমান পক্ষ বোমা তৈরী করার সময় হটাৎ বিষ্ফোরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কুথনিপাড়ার মুনিরের ছেলে জিহাদ (১৭) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীহাটি ধামারমোড়ের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে আলামিন (১৭) নিহত হয়।
