নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের স্বার্থের দিকগুলো বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপকালে তারেক রহমান তার এমন আকাক্সক্ষার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের পর ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে অভিনন্দন জানান। ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ হয়। তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নরেন্দ্র মোদির দেওয়া একটি চিঠিও ওম বিড়লা হস্তান্তর করেন।
নরেন্দ্র মোদি চিঠিতে বলেন, তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করতে আগ্রহী। নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহামেদ মুইজ্জ্,ু ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা, যুক্তরাজ্যের উপমন্ত্রী সীমা মালহোত্রা ও তুরস্কের উপমন্ত্রী বেরিস একিনচি আলাদাভাবে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত করার বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং দেশগুলো সফরের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।
তারেক রহমান অতিথিদের বলেন, জনগণের স্বার্থের দিকগুলো বিবেচনায় রেখে তিনি দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান। তিনি সুবিধাজনক সময়ে দেশগুলো সফরের বিষয়টি তাদের জানান।
চীনের প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং তারেক রহমানকে এক বার্তায় অভিনন্দন জানান। ঢাকায় দেশটির দূতাবাস বলছে, লি ছিয়াং বাংলাদেশের নতুন সরকারের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার দেশের সহযোগিতার আশ্বাস দেন ও তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব’কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এতে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি সুফল বয়ে আনা যাবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী : জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে একটি অভিনন্দনপত্র পাঠিয়েছেন। ঢাকায় দেশটির দূতাবাস জানায়, প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি চিঠিতে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টার অগ্রগতিতে স্বাগত জানান। তিনি দুই দেশের মধ্যে ‘কৌশলগত অংশীদারত্বের’ ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করতে তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলেও জানান।
