বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ইরান যে হারে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়ছে, তা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন পশ্চিমা গোয়েন্দারা। তাদের মতে, হামলার এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার শূন্য হয়ে যেতে পারে। গতকাল বুধবার বার্তাসংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি ও হামলা জোরদার করেছে। তারা বেশ সফলভাবে ইরানের মিসাইল লঞ্চারগুলো ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে পূর্বের তুলনায় ইরানের মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা ও পরিমাণ অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অবশ্য গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণে অন্য একটি দিকও উঠে এসেছে। তারা মনে করছেন, ইরান তাদের সব মিসাইল এখনই ব্যবহার করছে না। সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে তারা মিসাইলের একটি বড় অংশ গোপন কোনো ভাণ্ডারে জমা করে রাখছে। এই কৌশলগত মজুদের কারণেই হয়তো বর্তমানে মিসাইল ছোড়ার গতি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে তেহরান।
অন্যদিকে, ইরানের এই মিসাইল হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। আকাশসীমা সুরক্ষায় ব্যবহৃত 'ডিফেন্স মিসাইল' বা ইন্টারসেপ্টরগুলো দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসাইল প্রতিরোধী এই অস্ত্রগুলোর মজুদ কমে আসায় ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে এখন থেকে অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। প্রতিরক্ষা মিসাইলের অপচয় রোধ না করলে সামনের দিনগুলোতে বড় ধরনের আকাশ হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তথ্যসূত্র: এপি
ইসরায়েলি সব দূতাবাসে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের