জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনে সরকারের নির্দেশ

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৪০ এএম

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যবহারে ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েচে সরকার। এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে সোমবার (২৩ মার্চ) এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এতে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত (২০১০ সালে সংশোধিত) ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’য় জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য।

এদিকে পতাকা বিধিতে বলা হয়, পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং সবুজের ভেতরে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার মাপ হবে ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তাকার ক্ষেত্রের গাঢ় সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্ত। বৃত্তটি দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। নির্ধারিত মাপ অনুযায়ী পতাকার তিন ধরনের আকার রয়েছে ১০:৬, ৫:৩ ও ২.৫: ১.৫ । পতাকা দ্বারা মোটরযান, রেলগাড়ি অথবা নৌযানে ব্যবহার করা যাবে না।

বাংলাদেশের পতাকার উপরে অন্য কোনো পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। কোনো পাবলিক অডিটোরিয়াম বা সভায় পতাকা প্রদর্শন করতে হলে বক্তার পেছনে উপরের দিকে স্থাপন করতে হবে। রাস্তার মধ্যখানে পতাকা প্রদর্শিত হলে তা খাড়াভাবে প্রদর্শিত হবে। কবরস্থানে জাতীয় পতাকা নিচু করা যাবে না বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না। পতাকা কখনই আনুভূমিকভাবে বা সমতলে বহন করা যাবে না, সর্বদাই ঊর্ধ্বে এবং মুক্তভাবে থাকবে। পতাকা দ্রুততার সঙ্গে উত্তোলন করতে হবে এবং সসম্মানে নামাতে হবে। যে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেই ক্ষেত্রে একইসাথে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হয়, তখন উপস্থিত সকলে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন। যেক্ষেত্রে মোটরগাড়িতে পতাকা প্রদর্শন করা হয়, সেক্ষেত্রে গাড়ির চেসিস অথবা রেডিয়েটর ক্যাপের ক্ল্যাম্পের সঙ্গে পতাকা দণ্ড দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে। পতাকার উপর কোনো কিছু লেখা যাবে না।

সূত্র: বাসস

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত