জেনিৎয় বিশ্বকাপের ভাগ্যনির্ধারণী প্লে-অফ ফাইনালের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এক নজিরবিহীন স্ক্যান্ডালে জড়িয়েছে ইতালি ও স্বাগতিক বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। বসনিয়ার জাতীয় দলের রুদ্ধদ্বার অনুশীলনে ইতালীয় এক সেনাসদস্যের ভিডিও করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ক্লিক্সবা’ এই ঘটনাকে সরাসরি ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
বসনিয়ার সারায়েভোতে এফকে সারায়েভোর ট্রেনিং ক্যাম্পে এডিন জেকোরা যখন ম্যাচের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পাশের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফোর্সের ক্যাম্প থেকে এক ইতালীয় সেনাসদস্যকে ভিডিও করতে দেখা যায়। সামরিক পোশাকে থাকা ওই সদস্য প্রথমে সাধারণভাবেই অনুশীলন দেখছিলেন, কিন্তু হুট করে পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ভিডিও করা শুরু করলে বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে আসে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, অনুশীলনের প্রথম ১৫ মিনিট সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও এরপর তা রুদ্ধদ্বার রাখা হয়। কিন্তু ওই সেনাসদস্য নির্ধারিত সময়ের পরেও ভিডিও চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ফুটবল কর্তৃপক্ষ। তারা ইতোমধ্যে ইইউফোর মিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই সেনাসদস্যের ভিডিও করার ছবি এখন দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
বসনিয়ার দাবি, গাত্তুসোর ইতালীয় দলকে কৌশলগত সুবিধা দিতেই এই ‘স্পাইং’ বা গোয়েন্দাগিরি করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো এই ‘গুপ্তচর’ তত্ত্ব নাকচ করে দিয়েছে। তাদের দাবি, ওই সেনাসদস্য ইতালীয় কারাবিনিয়েরি বাহিনীর সদস্য এবং তিনি শান্তিরক্ষা মিশনের অংশ হিসেবে সেখানে কর্মরত। ফুটবল অনুরাগী হিসেবে তিনি কেবল পাশের বেস থেকে অনুশীলন দেখছিলেন, এর সাথে ইতালীয় জাতীয় দলের কোনো সম্পর্ক নেই।
যেভাবে নাসিম শাহকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচালেন মহসিন নাকভি
জাম্বিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশেই থাকছেন মেসি