এনবিআর চেয়ারম্যান বললেন

৭ উৎসে কালো টাকা সাদা করা যায়

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৮ এএম

অপ্রদর্শিত অর্থ বিদ্যমান হারে কর যিদয়ে আয়কর নথিতে দেখানো যায়। করদাতারা ৭টি আয়ের উৎস থেকে তাদের আয় দেখাতে পারে। বিবিধ খাতেও এই আয় দেখিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) মো. আবদুর রহমান খান।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সদস্যদের নিয়ে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় মোটাদাগে ৩৭টি করসংক্রান্ত প্রস্তাব তুলে ধরে ইআরএফ। এতে নেতৃত্ব দেন ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

ওই অনুষ্ঠানে এনবিআরের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানান, অতি ধনীদের করহার বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। একই সঙ্গে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনেকেই জানতে চান, নানা কারণে যেভাবে হোক গত কয়েক বছরে অনেক টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এখন তারা সেই টাকা দেশে আনতে চান, আয়কর নথিতে সেই টাকা প্রদর্শন করতে চান। এর জন্য আমরা (এনবিআর) আলাদা কোনো স্কিম দেব কি না।’

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমরা গত ৫৪-৫৫ বছর ধরে এ ধরনের অনেক স্কিম দিয়েছি, কিন্তু সেগুলো হিতে বিপরীত হয়েছে। কারণ এতে ভালো করদাতারা নিরুৎসাহিত হয়। তারা সারা বছর গুনে গুনে কর দিল, আর কর ফাঁকি দেওয়া লোকজন তিন ভাগের এক ভাগ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করবে এটা তারা ভালোভাবে নেন না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, বিদ্যমান করহার অনুযায়ী কর দিয়ে যে কেউ অপ্রদর্শিত অর্থ তার আয়কর নথিতে দেখাতে পারেন। এতে আমরা বরং খুশিই হবো।’

আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমি দেখেছি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাদের বাইরে টাকা-পয়সা আছে তাদের গোয়েন্দাগিরি করে ধরে তাদের কাছ থেকে পুরো টাকা নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমি চাই যে করদাতারা মার্জিনাল বা গড় যে ট্যাক্স আসে তা দিয়ে কালো টাকা সাদা করে ফেলুক। এই সুযোগ অবারিত। রেগুলার রেটে যে কেউ তার আয় আয়কর নথিতে দেখাতে পারে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত