বাছাইপর্ব পেরিয়ে ৪৮তম এবং শেষ দল হিসেবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল ইরাক। মঙ্গলবার রাতে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালো মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি। ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে ‘লায়ন্স অফ মেসোপটেমিয়া’দের।
মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইরাক। মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় আলি আল হামাদির গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে বিরতির ঠিক আগে ময়েজেস পানিয়াগুয়ার গোলে সমতায় ফেরে বলিভিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই সমানে সমান লড়াই করলেও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন আয়মান হোসেন। তার করা জয়সূচক গোলটিই ইরাককে পৌঁছে দেয় স্বপ্নের বিশ্বকাপে।
যেদিন চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিনবার বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল, ঠিক সেই রাতেই মন্টেরির গ্যালারিতে বইছিল ইরাকি সমর্থকদের আনন্দের জোয়ার। জেন্নারো গাত্তুসোর দল যখন হারের ক্ষত নিয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছে, তখন ইরাক মেতেছে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা উৎসবে।
১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে ইরাক খেলবে ‘আই’ গ্রুপে। সেখানে তাদের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে ফ্রান্স, নরওয়ে এবং সেনেগাল। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের এই অর্জন দেশটির ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক পশলা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। ইরাকিদের জন্য ফুটবলের এই সাফল্য কেবল উদযাপনের উপলক্ষ নয়, বরং ফুটবল পুনর্জাগরণের প্রতীক।
দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন ইতালির কোচ গাত্তুসো
মেসির জাদুকরী ফুটবলে জাম্বিয়াকে গোলবন্যায় ভাসাল আর্জেন্টিনা