প্রধান নির্বাচক হয়ে ফিরলেন হাবিবুল

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ এএম

দুই বছরের একটু বেশি সময়। দুটো ভিন্ন রকম দায়িত্ব। হাবিবুল বাশার সুমন ফিরেছেন পুরনো আঙিনায়, নতুন পরিচয়ে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচকের পদ ছেড়েছিলেন হাবিবুল, মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর নেতৃত্বে নির্বাচক কমিটির পরিবর্তে গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর নেতৃত্বে নতুন মুখ হান্নান সরকার ও পরে যোগ হয়েছিলেন হাসিবুল হোসেন। হান্নান নির্বাচকের চাকরি ছেড়ে মনোযোগ দিয়েছেন কোচিংয়ে, আব্দুর রাজ্জাক নির্বাচক কমিটি থেকে সরে দাঁড়িয়ে হয়েছেন বিসিবি পরিচালক। ছেড়ে আসা জায়গায় যখন অদল বদল চলছে তখন হাবিবুলও ব্যস্ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে। কিছুদিন দেখলেন নারী ক্রিকেট, এরপর বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে। সেসব ধাপ সম্পন্ন করে এপ্রিলের প্রথম দিনে দায়িত্ব নিয়েছেন হাবিবুল, সঙ্গে প্রথমবারের মতো নির্বাচক কমিটিতে এসেছেন নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী।

হাবিবুল জানালেন, ‘আমি এই কাজটা (নির্বাচক) আগেও করেছি। নতুন কিছু নয়। মাঝখানে দুই বছরে যে ভূমিকাগুলোতে ছিলাম সেখানেও নিজের সেরাটা দিয়েই চেষ্টা করেছি। আমার কাছে কোনো কাজই আলাদা করে বিশেষ কিছু না। আমি আসলে নিয়োগটা নিশ্চিত হওয়ার পরই চলে গিয়েছিলাম (ওমরাহ করতে), সেই অর্থে কারও সঙ্গে আসলে আজকের (বুধবার) আগে দেখা হয়নি। দায়িত্ব বুঝে নিলাম।’

বছর দুয়েক আগে, হাবিবুল যখন নির্বাচকের দায়িত্ব ছেড়েছিলেন, তখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এতটা চাপের হয়ে ওঠেনি, যেমনটা হয়ে উঠেছে বর্তমান সময়ে। ভদ্রতার মাত্রা ডিঙানো সমালোচনা অনেকের জন্যই রীতিমতো দুঃস্বপ্ন। প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নেওয়াটা সেই কাঁটার সিংহাসনকেই যেন আপন করে নেওয়া। হাবিবুল জানালেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তো সবার জন্যই এখন একটা বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচকদের জন্য, খেলোয়াড়দের জন্য। তবে এটা তো আমরা কেউ থামাতে পারব না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাদের কাজ করবে, আমরা আমাদের কাজ করব।’ হাবিবুল জানিয়েছেন, দল গঠনে পরিসংখ্যানের চেয়ে প্রাধান্য পাবে ক্রিকেটারের সার্বিক সামর্থ্য, ‘আমরা পরিসংখ্যান দেখে দল বানাতে চাই না’।

নাঈম ইসলামও দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। প্রথম দিনে সৌজন্য সাক্ষাৎ আর দাপ্তরিক কাজই বেশি হয়েছে। নাদিফ চৌধুরী আরেক নতুন মুখ, তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে দল নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তার আছে। নাঈমের জন্য অভিজ্ঞতাটা খুবই নতুন, মাস তিনেক আগেও জাতীয় লিগে খেলেছেন, রংপুর-রাজশাহী অঞ্চলের ক্রিকেটারদের চেনেন খুব ভালোভাবেই। নাদিফও ঢাকা বিভাগের হয়ে খেলেছেন অনেকদিন। দুই নতুন সহকর্মীর ব্যাপারে অনেক আশাবাদী হাবিবুল, ‘খুবই তরুণ ও এনার্জিটিক একটা প্যানেল হয়েছে। অনেক দিন ক্রিকেটের সঙ্গে নেই, এমন কেউ নির্বাচক হলে ঘরোয়া ক্রিকেট সম্পর্কে ধারণা কম থাকে। নাদিফ আর নাঈম অনেক দিন ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছে, খুব বেশি দিন হয়নি খেলা ছেড়েছে। কে কেমন করছে, তারা এটা ভালো জানে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত