মার্চের শেষ থেকে চলমান উত্তেজনার মাঝেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল শিগগিরই ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে, এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্চের শেষের দিকে ইরানকে ১০ দিনের ডেডলাইন দিয়েছিলেন, যাতে তারা হরমুজ প্রণালী অবরোধ প্রত্যাহার করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেই ডেডলাইন শেষ হচ্ছে সোমবার (৬ মার্চ)।
রবিবার ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে যদি ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ প্রত্যাহার না করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে না আসে, তাহলে দেশটির সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে।
তবে এক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের সূত্রগুলো মনে করছে, ইরান সরাসরি ট্রাম্পের আল্টিমেটাম মেনে নেবে,এমন সম্ভাবনা কম। বরং ৪৫ দিনের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চলমান উত্তেজনা অনেকাংশে কমাতে পারে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি দুই স্তরের হবে। প্রথম স্তরে, ইরান ৪৫ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা থেকে বিরত থাকবে। একই সময় মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে তিন দেশের সরকারী প্রতিনিধিরা স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু করবেন। আশা করা হচ্ছে, এই ৪৫ দিনের আলোচনা ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে স্থায়ী সমঝোতার পথে নিয়ে যাবে।
এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের গভীর আলোচনা চলছে এবং ডেডলাইন পেরোনোর আগেই এই আলোচনার ফলাফল আসবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, 'একটি ভালো সুযোগ ইরানের সামনে আছে, কিন্তু যদি তারা কোনো সমঝোতা চুক্তিতে না পৌঁছায়, আমি ইরানের সবকিছু উড়িয়ে দেবো।'
