সকালে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল, খালেদ মাসুদ পাইলটসহ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা। সেখানে বুলবুল তার অনেক কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
বুলবুলের সঙ্গে আগামীকাল বুধবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বগুড়ায় যাওয়ার কথা ছিল। এমনকি ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বড় ইভেন্ট হতে পারে বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি, 'কাল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমাদের সময় দিয়েছেন, বগুড়ায়। সেখানে একটা স্টেডিয়াম ছিল যা বহু বছর ব্যবহার হয়নি। এখানেই নারী বিপিএল শুরু হবে। কাল সবাই বগুড়ায় গিয়ে মাস্টারপ্ল্যান করবে। আমরা এনএসসির প্রতি কৃতজ্ঞ, অনেক সাহায্য-সহযোগিতা করে।'
কিন্তু পূর্বাঞ্চলে দাঁড়িয়ে সেই পরিকল্পনাগুলো যখন বুলবুল জানাচ্ছিলেন, তখন তো ঘুণাক্ষরেও টের পাননি বোর্ড ভাঙার মতো ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে!
বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে বিসিবির পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার খবর পাওয়ার পর তড়িঘড়ি করে বিসিবি ছাড়েন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। গাড়িতে উঠেই দরজা লাগিয়ে দেন তিনি।
এনএসএসি পরিচালকের সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন ভেঙে দেওয়া কমিটির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ। তিনি জানান, আরো ৭ জনের মতো বিসিবি থেকে পদত্যাগের কোনো সম্ভাবনা নেই তার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, 'আমার চেষ্টা ভালো কিছু করার। সে জন্য আমি মনে করি নিজের দুর্নাম করে ভালো কেমনে করবো আমি। সবাই নিজেকে ভালো রাখে। যারা এসব কথা বলে বেড়ায় তাদের আয়নায় চেহারাটা দেখা দরকার যে তারা কী করেছিল সেই সময়৷'
কারো নাম না উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'আমি তো কোনো দিন তার বাসার বাইরে গাড়ি পার্ক করে গাড়িতে ঘুমিয়ে যাইনি। সে কখন আমাকে ডাকবে। এ জিনিসটা সে জানে। এই জিনিসটা সে জানে তাকে কীভাবে কত মানুষ চেষ্টা করেছে তার সঙ্গে কথা বলার দেখা করার।'
'আসিফ-বুলবুলের বিরুদ্ধে বিসিবি নির্বাচনে হস্তক্ষেপের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি'