‘শোক ও প্রতিবাদের মৌন মিছিল’ শিরোনামে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনার নৃশংস হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ডসহ ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবন চত্বর থেকে মৌন মিছিল বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে তা শেষ হয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক তিয়াশা চাকমা, ড. মনজুর রহমান, ড. গাজী মোহাম্মদ মাহবুব মুর্শিদ; অর্থনীতি বিভাগের ফারহা তানজিম তিতিল, ড. গফুর গাজী, ড. আব্দুস সামাদ, ড. বশির আহমেদ, ড. খোদেজা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক আতিফা কাফি, ইনজামুল হক সজল, আল হাদিস বিভাগের অধ্যাপক মোজাহিদুর রহমানসহ শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
বক্তারা দাবি করেন, ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকান্ডের মাসাধিককাল অতিক্রম করলেও এই হত্যাকা-ে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তাই অবিলম্বে নৃশংস এই হত্যাকা-ের সুষ্ঠু তদন্তসহ দ্রুতবিচার আদালতে মামলাটির বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে ইবি শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যাসহ ক্যাম্পাসের সব হত্যাকান্ডের তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। এই মৌন মিছিল ও সমাবেশে শতাধিক শিক্ষক ও কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রধান আসমা সাদিয়া রুনা তার নিজ অফিস কক্ষে খুন হন। এ সময় ওই কক্ষ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবি কর্মচারী ফজলুর রহমানকে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দুজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ইবি কর্মচারী খন্দকার ফজলুর রহমানকে চিকিৎসা শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এজাহারনামীয় বরখাস্ত দুই ইবি শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
