ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের পাঠানো প্রতিনিধি দলের ওপর মিরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদল নেতাদের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি কলেজের সম্পদ ব্যবহারে অনিয়ম, লাগামহীন নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমানের পক্ষ থেকে ১০/১২ জনের একটি প্রতিনিধিদল কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায়।
তারা বলেন, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অধ্যক্ষের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে কলেজের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, নিয়মবহির্ভূত শিক্ষক নিয়োগ এবং এ জাতীয় অন্যায় কাজে বাধাদানকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
'তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়ার পরও অধ্যক্ষ তাদের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মী, কিছু সাবেক ছাত্র, কিছু বহিরাগতরা মিছিল নিয়ে উপাধক্ষের কক্ষে ঢুকে পড়েন এবং প্রতিনিধি দলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন, মিরপুর উত্তর থানার সেক্রেটারি আব্দুল মান্নান, কলেজের প্রাক্তন ছাত্র আবু সাঈদ, এমপির মুখপাত্র ডা. মঈন উদ্দিনসহ ৭/৮ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলসহ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। আহতরা যখন চিকিৎসা নিতে ব্যস্ত ছিলেন তখন তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।'
মহানগরী নেতৃত্বদয় এমন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। একই সঙ্গে পুরো কলেজের ওপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন সকল প্রকার অনিয়ম বন্ধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
