কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ দাবি

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম

কর্ণফুলী নদীর সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন আট সামাজিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা। রবিবার (১২এপ্রিল) সকাল১১টায় কর্ণফুলীর তীরে ফিরিঙ্গি বাজার ফেরি ঘাটে আয়োজিত এক মানববন্ধন সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী দেশের অর্থনীতির সঞ্চালক। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান কর্ণফুলীর দখলে দূষণে কর্ণফুলীর বেহাল চিত্র তুলে ধরেন। ২০১০ সালে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদের দায়ের করা মামলায় ২হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে তা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।২০১৬ সাল থেকে হাইকোর্টের আদেশ থাকলেও এখনো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি। আগামী দুই মাসের মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা না হলে চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনসহ সকল সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।

মানববন্ধন আয়োজনকারী সংগঠনগুলো হলো- চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, ইউনাইটেড সোস্যাল নেটওয়ার্ক, সিকদার ফাউন্ডেশন ও কর্ণফুলী নদী হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি শ্রমিক ইউনিয়ন।

মানববন্ধন চলাকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, যে নদী দেশ চালায় তার শরীরে এত ক্ষত মেনে নেয়া যায় না। চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যরা এই নিয়ে জোরালো কন্ঠে কথা বলুন, সরকারকে বাধ্য করুন কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে। অন্যথায় জনগণ আপনাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।  

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চ্যানেল আইয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান, কর্ণফুলী নদী সন্তান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ, কর্ণফুলী হস্তচালিত সাম্পান মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মিয়া, একতা ফাউন্ডেশনের জাহিদুল করিম বাপ্পি, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত