এপস্টেইন বিতর্কে স্টারমারের ক্ষোভ

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ এএম

পদত্যাগের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এবার ক্ষোভ উগরে দিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিয়োগের আগে যে নিরাপত্তা যাচাইয়ে (সিকিউরিটি ভেটিং) ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেই তথ্য খোদ প্রধানমন্ত্রীকেই জানানো হয়নি বলে দাবি তার। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টিকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিলেও, স্টারমারের রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এখন বড় প্রশ্নের মুখে। আগামী মাসেই ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচন। ধারণা করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক এসব বিতর্কের জেরে এই নির্বাচনে তার দলকে চরম মাশুল গুনতে হবে।

প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সখ্যের জেরে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদ ছাড়তে বাধ্য হন লেবার পার্টির প্রবীণ নেতা পিটার ম্যান্ডেলসন। এই কেলেঙ্কারির পর তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন স্টারমার। তবে ইরানযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা সীমিত করার ঘোষণা দিয়ে সেই চাপ কিছুটা হলেও সামলে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার নতুন এক তথ্য সামনে আসায় পরিস্থিতি আবারও ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। জানা যায়, রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে হওয়া নিরাপত্তা যাচাইয়ে বাদ পড়েছিলেন ম্যান্ডেলসন। স্টারমারের কার্যালয় বলছে, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানতেন না। কিন্তু বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন এত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য প্রধানমন্ত্রী কীভাবে না জেনে থাকতে পারেন? তাই তারা স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করেছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত