কক্সবাজারের পেকুয়া চকরিয়া পহারচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসা জায়গা অবৈধভাবে দখলে থাকায় উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৯ আগষ্ট) দুপুরে মাদ্রাসা সংলগ্ন জায়গা দখলকারী ধলু বিবি ওয়ারিশ জয়নাল গংয়ের বিরুদ্ধে বরইতলী-মগনামা সাবমেরিন সড়কের পহারচাঁদা মাদ্রাসা চত্ত্বরে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পহারচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জি এ এম সাইফুল হক, সহকারী অধ্যাপক মৌলানা জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র শিক্ষক তাওহিদুল ইসলাম লাইব্রেরিয়ান মঞ্জুর আলম, গভর্নিং বডির সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছ, প্রাক্তন ছাত্র মোহাম্মদ রফিক।
বক্তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে অবৈধ দখলে থাকা জায়গা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে না দিলে কঠোর হুশিয়ারি দেন। এসময় মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবি মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেয়।
এদিকে মানব বন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ফিরে আসলে শিক্ষার্থী ও দলু বিবির পরিবারের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দু'পক্ষের ৬/৭ জন আহত হন।
আহত শিক্ষক তাওহিদ বলেন সংঘর্ষের সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে গেলে কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে দেখে দু'পক্ষকে সরিয়ে দিতে চাইলে দলু বিবির পরিবারের সদস্যরা তার ওপু হামলা করেছে। তাদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত অবস্থায় চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করে আসছে, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি মাদ্রাসার সম্পত্তি। জায়গাটি নিয়ে ইতোমধ্যে একাধিকবার পরিমাপ করা হয়েছে। দলু বিবির কোন সম্পাদ নেই। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হলে জবর দখলকারীরা কোন প্রকার মালিকানার কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি।
মানবিক কারণে তাকে সাময়িক বসবাস করতে দিলে ক্রমান্বয়ে মাদরাসার জায়গা জবর দখল করে ৬ টি ঘর নির্মাণ করে। এরপরও নতুনভাবে জবর দখল করতে চাওয়ায় এবিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত দলু বিবির পরিবারের সদস্য নেজাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা এ জায়গায় বসবাস করে আসছে। এটা তাদের পূর্ব পুরুষের জায়গা।
সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফ বলেন পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। সম্পত্তির মালীকানা বিরোধ থাকতে পারে সেখানে কোমলমতি ছেলে মেয়ে সামনে আনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেন।