রাজধানীর ডেমরা আমুলিয়া মডেল টাউনে টিনসেড কারখানায় আগুনের ঘটনায় ফায়ার ফাইটারসহ ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। দগ্ধরা হলেন, ফায়ার ফাইটার নাইম হোসেন (৩০) ও কারখানা কর্মচারী মো. সুজন (২২) ও বাবু (২৩)।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে স্থানীয় হাসপাতাল থেকে তাদেরকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা কারখানা কর্মী মো. সোহেল জানান, আমুলিয়া মডেল টাউনে কালি তৈরির কারখানার কাজ করেন তারা। সকালে প্রিন্টিং মেশিনে শর্টসার্কিট থেকে আগুন ধরে। কারখানা ভর্তি কেমিক্যাল থাকায় মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়েন। তখন তারাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। একটি আগুনের কুন্ডলি ছড়ালে সেইটাতে দগ্ধ হন সুজন ও বাবু। পরে তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, সুজনের প্রায় সমস্ত শরীর পুড়ে গেছে। আর বাবুর সামান্য দগ্ধ হয়েছে।
আর দগ্ধ নাইম ফায়ার সার্ভিস সদস্য। বাহিনীটির সদর দপ্তরে কর্মরত তিনি। আগুনের খবর পেয়ে সদর দপ্তর থেকে ডেমরায় পাঠানো ইউনিটের সদস্য ছিলেন তিনি। আগুন নেভাতে গিয়ে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সুজনের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর ফায়ার ফাইটার নাইম হোসেনের ডান পায়ে সামান্য দগ্ধ হয়েছে। তাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। বাবুকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাধীন সংবাদমাধ্যম সূচকে তিন ধাপ পেছাল বাংলাদেশ