আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় কোরবানির পশুর প্রস্তুতি শুরু হলেও এবার চাহিদার তুলনায় পশুর কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালে এই উপজেলায় কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬০০টি। তবে এর বিপরীতে স্থানীয় খামারি ও গৃহস্থদের কাছে বর্তমানে পশুর মজুদ রয়েছে ৫ হাজার ১২২টি। ফলে আসন্ন ঈদে উপজেলায় প্রায় ৪৭৮টি পশুর ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রস্তুত থাকা ৫ হাজার ১২২টি পশুর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যাই বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কোরবানির জন্য ২ হাজার ১৮৫টি ষাঁড়, ৪৭৭টি বলদ, ৭২১টি গাভী এবং ৮টি মহিষ প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া ছাগল ও ভেড়ার মজুদ রয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ২২৬টি এবং ১০৯টি।
খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই তারা পশু মোটাতাজাকরণ, পরিচর্যা ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালনে এবার বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। খামারিরা আশা করছেন, বাজারে পশুর চাহিদা ভালো থাকলে তারা ন্যায্য পাবেন।
উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামের গরু খামারি কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা কোরবানি উপলক্ষে গরু লালন-পালন করি। আমরা চাই আমাদের পশুর ন্যায্য দাম। সে জন্য সরকারের কাছে আবেদন, বিগত বছরের মতো এবারও যাতে ভারতীয় গরু দেশে না ঢোকে। ভারতীয় গরু না এলে আমরা আমাদের দেশি গরুর ন্যায্য দাম পাব।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র দাস বলেন, প্রতি বছরই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে খামারিরা পশুর বাড়তি যতœ নেন। তবে এবারের ঘাটতি মেটাতে অন্য জেলা থেকে আসা পশুর ওপর নির্ভর করতে হবে।