আগামী শুক্রবার থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে তাদের ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল টাইগাররা। তবে সেই সুখস্মৃতিতে গা ভাসাতে রাজি নন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তার স্পষ্ট কথা, অতীত এখন ইতিহাস; তারা নতুন করে ইতিহাস লিখতে চান।
বুধবার (৬ মে) মিরপুরে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন সিমন্স। পাকিস্তানের বিপক্ষে গত সিরিজের জয় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ওটা ইতিহাস। ইতিহাস চলে গেছে। আপনারা ইতিহাস নিয়ে কথা বলছেন, কিন্তু আমরা এখন নতুন ইতিহাস গড়তে চাই। আগের ম্যাচ জেতা এখন আর কাজে আসবে না। পাকিস্তান নতুন করে এসেছে, আমাদেরও নতুন ম্যাচ খেলতে হবে।'
নিজের ১০১তম টেস্ট খেলতে নামছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তাকে নিয়ে কোচের মূল্যায়ন, "মুশফিককে যতটুকু চিনেছি, তার প্রস্তুতি সবসময় একই থাকে—তা প্রথম টেস্ট হোক বা ১০০তম। দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা তাদের অভিজ্ঞতা মাঠে কাজে লাগাবে বলেই আমার বিশ্বাস।"
তরুণ পেসার নাহিদ রানাকে নিয়ে বেশ সতর্ক কোচ। রানার ক্রিকেটীয় জ্ঞান ও গতির প্রশংসা করে সিমন্স বলেন, "সে জানে সে কোথায় আছে এবং তার শক্তির জায়গা কোনটি। আমাদের তাকে মনিটর করতে হবে। অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড দিয়ে তাকে হাফ-ফিট অবস্থায় খেলানো যাবে না। প্রথম টেস্টের পর তার অবস্থা বুঝে দ্বিতীয় টেস্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
হোম কন্ডিশন সুবিধা নিতে ব্যাটারদের বড় দায়িত্ব দেখছেন কোচ। সাজিদ খান বা নোমান আলীদের মতো বোলারদের সামলানো প্রসঙ্গে তিনি জানান, "ভালো পিচে খেলা হবে। টপ ক্লাস বোলারদের বিপক্ষে রান করতে হলে আমাদের লম্বা সময় ব্যাটিং করতে হবে। বড় সংগ্রহ পাওয়াই এখন মূল লক্ষ্য।"
দলে অমিত হাসান বা তানজিদ তামিমের মতো তরুণদের উপস্থিতি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সিমন্স। এছাড়া মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের এইচপি ইউনিটে যোগ দেওয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য লাভজনক মনে করেন তিনি। সিমন্সের মতে, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং জাতীয় দলের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
