যুদ্ধ থামাতে মুখোমুখি ইসরায়েল-লেবানন

আপডেট : ১৫ মে ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ইসরায়েল-লেবানন বৈঠককে গঠনমূলক ও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ইসরায়েলি সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানো।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বৈঠক বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে টানা আট ঘণ্টা চলে। তিনি বলেন, 'পুরো দিনজুড়ে গঠনমূলক ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে' এবং এ আলোচনা শুক্রবারও অব্যাহত থাকবে। 

গত ২ মার্চ ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর তিন দিনের মাথায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এরপর ইসরায়েল লেবাননে বিমান হামলা জোরদার করে। গত মাসে দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযানও আরও বিস্তৃত করে ইসরায়েল। সেই সময় থেকেই এটি দুই পক্ষের তৃতীয় বৈঠক।

তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বৈরুত সরকার এ আলোচনায় অংশ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ১৬ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে সংঘাত পুরোপুরি থামেনি। তবে অধিকাংশ সংঘর্ষ দক্ষিণ লেবাননেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। নাজুক এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী রোববার শেষ হওয়ার কথা। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আট শিশু রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে লেবাননের প্রতিনিধি দল “ইসরায়েল কার্যকরভাবে মেনে চলবে—এমন একটি যুদ্ধবিরতি” চাইবে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি বিস্ফোরক ড্রোন সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে আঘাত হানে এবং এতে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের ঘোষিত নিরাপত্তা বলয়ে সেনা মোতায়েন রেখেছে। তাদের দাবি, উত্তর ইসরায়েলকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে শত শত রকেট ও ড্রোন ছুড়েছিল।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত