সবেমাত্র সাড়ে চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে গত জুনে ফুটবলে ফিরেছিল ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। কিন্তু মাঠ পুরোপুরি ব্যবহারের উপযোগী হওয়ার আগেই মাত্র ১০ মাসের মাথায় এবং মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলার পরই উপড়ে ফেলতে হচ্ছে স্টেডিয়ামের মূল মাঠের ঘাস। অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল টাকা ব্যয়ে নতুন করে মাঠ সংস্কারের এই প্রক্রিয়াকে সহজভাবে নিচ্ছেন না যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিষয়টিতে বড় কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রবিবার বিকেলে ঢাকা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী তাঁর এই অসন্তোষের কথা জানান।
এর আগে মাত্র ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামে যে ঘাস লাগানো হয়েছিল, তা বছর না ঘুরতেই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। মাঠের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে আমিনুল হক বলেন, "আমরা মাঠটি এমনভাবে প্রস্তুত করতে চাই যেন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এটি নির্বিঘ্নে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু মেয়াদ ফুরানোর অনেক আগেই যদি পুনরায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন পড়ে, তবে বুঝতে হবে ভেতরে কোনো বড় সমস্যা বা অনিয়ম রয়েছে (ডাল মে কুচ কালা হ্যায়)।"
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবার সম্পূর্ণ নতুনভাবে মাঠের ঘাস রোপণ ও আনুষঙ্গিক কিছু খুঁটিনাটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে। এবারের পুরো প্রকল্পে বাজেট ধরা হয়েছে ৬২ লাখ টাকা। বাফুফের নিজস্ব তহবিল এবং বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার আর্থিক সহযোগিতায় এই নতুন সংস্কার কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নতুন ঘাস লাগানোর কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে। প্রতিমন্ত্রীও আশা প্রকাশ করেছেন যে, এবারের ভারী ব্যয়ের পর মাঠটি যেন দীর্ঘ মেয়াদে খেলার উপযোগী থাকে এবং আগামী বছরই যেন আবারও নতুন করে সংস্কারের কোনো প্রয়োজন না পড়ে।
বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগের দিন নেইমার বাঁধালেন লঙ্কাকান্ড