গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। একই সময়ে গাজাগামী একটি ফ্লোটিলা থেকে আটক শতাধিক কর্মী তুরস্কে পৌঁছে অভিযোগ করেছেন, আটক অবস্থায় তাদের ওপর নির্যাতন ও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও গাজাজুড়ে থামছে না হামলা ও পাল্টা আক্রমণ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্থানীয় সময় দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবু লক্ষ্য করে চালানো ওই হামলায় কয়েকজন হতাহত হন। এলাকাটি বর্তমানে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে পৃথক আরও কয়েকটি হামলায় নিহতদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো বলছে, গাজায় এখন নিরাপদ আশ্রয়ও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েলের দাবি, হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করেই এসব অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে, গাজাগামী একটি ফ্লোটিলা থেকে আটক শতাধিক কর্মী বৃহস্পতিবার তুরস্কে পৌঁছান। তাদের অভিযোগ, আটক অবস্থায় ইসরাইলি বাহিনী তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে এবং শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে নৌযান আটকের ঘটনায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোতে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ইসরাইল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
