স্ট্রেস কমাতে এসেনশিয়াল অয়েল

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, ০১:২৪ এএম

এসেনশিয়াল অয়েলের গন্ধে মানসিক চাপ কমে এবং মন শান্ত হয়ে ওঠে। ঘরের মধ্যে স্পা-এর আমেজ পাওয়া যায়। তাই দিনের শেষে অনেকেই এসেনশিয়াল অয়েল ঘরে রেখে  দেন। ডিফিউজারের মাধ্যমে এসেনশিয়াল অয়েল ধোঁয়ার আকারে বাতাসে মিশে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরের মধ্যে যদি ভালো ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকে, তা হলে বিপদ। যে ঘরের জানালা-দরজা সর্বক্ষণ বন্ধ থাকে, সেখানে এসেনশিয়াল অয়েল ডিফিউজার ব্যবহার না করাই ভালো।

ডিফিউজার মূলত ‘অ্যারোসালাইজেশন’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাতাসে এসেনশিয়াল অয়েল ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে ঘরের ভেতরের বাতাসে ‘ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ডস’ ছড়িয়ে পড়ে। এর সুগন্ধ সাময়িকভাবে আরামদায়ক মনে হলেও, বদ্ধ ঘরে একটানা চললে বাতাসে যৌগগুলো জমতে শুরু করে এবং ঘরের বাতাসকে দূষিত করে তোলে।

এসেনশিয়াল অয়েলের বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকলে শ্বাসনালির ভেতরে থাকা মিউকাস মেমব্রেনে জ্বালা ভাব তৈরি করে। এর জেরে বুকে ঘড়ঘড় শব্দ হয়, সারা বছর হাঁচি-কাশির সমস্যা লেগে থাকে। নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়। গলায় খুসখুসে ভাব এবং অ্যালার্জির সমস্যাও দেখা দেয়। হাঁপানি ও সিপিওডি রোগীদের একেবারেই এসেনশিয়াল অয়েল ডিফিউজার ব্যবহার করা উচিত নয়। শ্বাসজনিত সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এসেনশিয়াল অয়েল শুধু যে শ্বাসযন্ত্রের ওপর তা নয়। ত্বকের প্রভাব পড়ে। চর্মরোগ দেখা দেয়।

যদি ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে তা হলে এসেনশিয়াল অয়েল ডিফিউজার ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ২০-৩০ মিনিটের বেশি এসেনশিয়াল অয়েল ডিফিউজার ব্যবহার না করাই ভালো। এ ছাড়া দিনে একবারের বেশি ব্যবহার করাও উচিত না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত