সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ভোলার ১০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

আপডেট : ২৭ মে ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন ভোলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন দরবারের প্রায় ১০ হাজার অনুসারী। বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ির দরগায় সকাল পৌনে ৯টায়। এছাড়া একই ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামের মজনু মিয়া বাড়ির দরগায় সকাল সাড়ে ৭টায় আরেকটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সরেজমিনে জানা গেছে, ভোলার সাত উপজেলার মধ্যে ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রামে সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার, সুরেস্বর দরবার শরীফ, মাইজভান্ডার, আটরশি ও দুদুমিয়া দরবারের প্রায় ১০ হাজার অনুসারী রয়েছেন। তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।

বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের পঞ্চায়েত বাড়ির সুরেস্বর দরবারের প্রাক্তন খলিফার ছেলে মো. সুমন বলেন, “সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আমরা ঈদের জামাত আদায় করেছি। এটি মূলত ভৌগোলিক কারণে হয়ে থাকে। কেউ যদি মনে করেন আমরা ভুলভাবে একদিন আগে রোজা ও ঈদ পালন করি, তাহলে সেটি সঠিক ধারণা নয়। নামাজ শেষে আমরা কোরবানি দেব।”

ঈদের নামাজ আদায় শেষে বৃদ্ধ মো. সিদ্দিক বলেন, “আমরা প্রায় ২০০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করে আসছি। আগে আমার দাদা পালন করেছেন, পরে বাবা করেছেন, এখন আমি করছি। আমার ছেলেরাও এই তরিকা অনুসরণ করছে।”

পঞ্চায়েত বাড়ির দরগার ঈদের জামাতের ইমাম মাওলানা রফিকুল ইসলাম রতন মিয়া বলেন, “দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে আমি ঈদের নামাজের ইমামতি করছি। আজও নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ববাসীর শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছি।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত