সৌভাগ্যের প্রতীক কচ্ছপ

আপডেট : ০১ জুন ২০২৬, ০২:১৯ এএম

কচ্ছপ মূলত প্রখর সহজাত প্রবৃত্তি, অভিযোজন ক্ষমতা এবং বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার বিশেষ কৌশলের জন্য পরিচিত। প্রাচীনকাল থেকে, প্রজ্ঞা ও  ধৈর্যশীল প্রকৃতির কারণে তারা সম্মানিত।  কোনো বিপদ দেখলে কচ্ছপ লড়াই করার চেয়ে, শক্ত খোলসের ভেতর মাথা ও পা গুটিয়ে লুকিয়ে থাকাকে বেশি বুদ্ধিমানের কাজ মনে করে। সামুদ্রিক কচ্ছপরা হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে ঠিকই তাদের জন্মস্থানে ফিরে আসে, যা তাদের দারুণ স্মৃতিশক্তি এবং দিক নির্ণয়ের সহজাত বুদ্ধিমত্তার প্রমাণ দেয়। চীন ও পূর্ব এশিয়ার লোকসংস্কৃতিতে কচ্ছপকে প্রজ্ঞা, দীর্ঘায়ু এবং ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ মনে করা হয়। ভূমি এবং মিঠা পানির টেরাপিনসহ ৩৬০টি জীবিত এবং সম্প্রতি বিলুপ্ত প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে।  প্রতিটি বজ্রঝড়ের পর, সামুদ্রিক কচ্ছপরা রাত হওয়া এবং জোয়ারের পানি নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তারপর নিঃশব্দে তীরে উঠে আসে। তারা তাদের পেছনের পা ব্যবহার করে প্রায় ৫০-৬০ সেমি গভীর এবং ২০ সেমি চওড়া একটি গর্ত খুঁড়ে ডিম পাড়ে। প্রায় দুই মাস পর, ডিম ফুটে বাচ্চা কচ্ছপের জন্ম হয়। সামুদ্রিক কচ্ছপ সংরক্ষণ শুধু সরকারি সংস্থাগুলোরই দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের দায়িত্ব। বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ ‘সমুদ্রের দূতদের’ সুরক্ষায় অবদান রাখতে পারে। কচ্ছপরা সাধারণত মানুষের মতো বাঁচে। কিন্তু কিছু কচ্ছপ ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত