সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের মামলায় ‘নোটিস জালিয়াতি’ রোধে ছয় নির্দেশনা দিয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়। গতকাল মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলা হয়, এটি কার্যকর হবে আগামী ১৪ জুন থেকে।
গতকাল হাইকোর্টের অবকাশকালীন অ্যানেক্স ভবনের ১৪ নম্বর আদালতে বেশ কয়েকটি মামলার মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিসে দেওয়া টেন্ডার নম্বরের গরমিল পাওয়া যায়। অনৈতিক সুবিধা নিতে এ জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়লে আদালত ওই দিনের কার্যতালিকা থেকে ১৬টি আইটেম বাদ দেয় বলে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটিস জালিয়াতির বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এ ছাড়া মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে ভিন্নতাও লক্ষ্য করা গেছে। কতিপয় ব্যক্তির এমন অনৈতিক কাজের কারণে আইনজীবী ও বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী ও নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে। মামলার এফিডেভিট করার সাত দিনের মধ্যে নোটিস জারি করতে হবে এবং জমা দেওয়া নোটিসে টেন্ডার নম্বর অবশ্যই টাইপ করা থাকতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এফিডেভিট শেষে মূল আবেদনপত্রের (ব্লুকপি) ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিস জমা দিতে হবে। এ ছাড়া কোনো আদালতে আগে দাখিল করা মামলা নতুন করে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত করতে হলে নতুন নোটিসের সঙ্গে আগের নোটিসের অনুলিপি যুক্ত করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে নির্দেশনায়।
