শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রযাত্রার ‘নিউক্লিয়াস’ বিবেচনা করে আগামী ৫ বছরে এই খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমরা শিক্ষাখাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। একই সঙ্গে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করা হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং দেশীয় ও বৈদেশিক শ্রমবাজারের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলার বাস্তব ভিত্তি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
খাতভিত্তিক বাজেট তুলে ধরার সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, সার্বিক এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে শিক্ষাখাতে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করে সর্বমোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা এবং জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এছাড়া বাজেট বক্তৃতায় বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা যেমন-জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে তৃতীয় ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেসকল দেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছুদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রদানের কথাও বাজেটে বলা হয়।
এছাড়া মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা সম্প্রসারণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।