পুষ্টির আধার জাম

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪৮ এএম

জামের ফলন খুব অল্প সময় থাকে। জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি সময় জাম পাওয়া যায়। অল্প সময়ের এই ফলটি পুষ্টিগুণে ভরা। তাই জামের পুষ্টিগুণ পেতে হলে যতদিন পাওয়া যায় জাম খাওয়া উচিত।

জামের উপকারিতা

জামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, জিংক, কপার, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্যালিসাইলেটসহ অসংখ্য উপাদান রয়েছে।

মানসিকভাবে সতেজ রাখে : জামে গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ রয়েছে, যা আমাদের মানসিকভাবে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জাম ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখে। এক চা চামচ জামের বীচির গুঁড়া খালি পেটে প্রতিদিন সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

হার্ট ভালো রাখে : জাম রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদপি- ভালো রাখে। এ ছাড়া শরীরের দূষিত কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে দেহের প্রতিটি প্রান্তে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে : জামে কম পরিমাণে ক্যালোরি থাকে, যা ক্ষতিকর তো নয়ই বরং স্বাস্থ্যসম্মত। তাই যারা ওজন নিয়ে চিন্তায় আছেন এবং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন, তাদের খাদ্য তালিকায় আসতে পারে জাম।

সতর্কতা : আধাপাকা (ডাঁসা) জাম খাওয়া উচিত নয়। খালি পেটে জাম খাবেন না এবং জাম খাওয়ার পর দুধ খাবেন না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত